Warning: The magic method Vc_Manager::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php on line 203

Warning: Undefined array key "msg" in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/Woocommerce302_PumCP/index.php on line 24

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\RestApi\Utilities\SingletonTrait::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-rest-api/src/Utilities/SingletonTrait.php on line 48

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\Admin\FeaturePlugin::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-admin/src/FeaturePlugin.php on line 312

Warning: Constant WP_MEMORY_LIMIT already defined in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-config.php on line 91

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php:203) in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp নতুনদের জন্যে নতুন বই Fri, 23 Oct 2020 05:23:57 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.7.15 http://sristisukh.com/ss_wp/wp-content/uploads/2017/06/cropped-icon_ss-32x32.png সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp 32 32 অন্তহীন বেদনাঋতু: ভিন্নচলনের উপন্যাস || উমাপদ কর http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%9a/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%9a/#respond Fri, 23 Oct 2020 05:22:37 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=6607

কৌশিক চক্রবর্তীর উপন্যাস “অন্তহীন বেদনাঋতু” ‘সৃষ্টিসুখ প্রকাশনী’ থেকে সংগ্রহ করেছিলাম বেশ কয়েকদিন আগে। প্রথমবার পড়লাম। কিছুটা ঘোর, কিছু প্রশ্নের বিড়ম্বনা, ও একটা অতৃপ্তি কাজ করল। এই ধরনের উপন্যাস খুব একটা পড়েছি বলে মনে করতে পারলাম না। ধরনটাই নতুন, স্বাদও ভিন্ন, প্রকরণ আলাদা। বইটা প্রায় দু-সপ্তাহ রেখে দিলাম। আবার পড়া শুরু করে ভাবতে ভাবতে এগোলাম ও শেষ করলাম। এবারে কিছু প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হলো। প্রশ্ন আগের চেয়ে অনেক কমে এল। আর কিছু মনে হওয়া জন্মালো। এরই প্রেক্ষিতে এই সামান্যটুকু। না, এ-কোনো আলোচনা-সমালোচনা নয়, নয় কোনো রিভিউ। প্রতিবেদনটি তিনটি ভাগে বিন্যস্ত করে (যেমন লিখলাম) উপস্থাপিত করছি।

প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া

ক) ভালো লেগেছে। এক ভিন্নধরনের ভালোলাগা, সবটা যার কথা বলায় প্রকাশ করা যায় না। খ) বলার ঢং কাব্যিক। প্রায় গোটা উপন্যাসটাই। গ) বলার ভাষাও যথেষ্ট কাব্যিক। মাঝেমধ্যে মনে হচ্ছিল যেন টানা গদ্যে কবিতাই পড়ছি। আবার তার কেটেও যাচ্ছিল বিভিন্ন জাম্পকাটে ঘ) একটা ঘোর তৈরি করে দ্যায়। একটা মন কেমন করা। ঙ) এই ধরনের উপন্যাস আগে খুব একটা পড়িনি। বাংলাভাষায় বিভিন্ন ধরনের উপন্যাস লেখা হয়েছে ও হচ্ছে। এর মননশীলতা ও স্বাদ যথার্থই ভিন্ন। চ) ঘটনা-কার্যক্রম-ইতিহাস-কাহিনি নেই বললেই চলে। আছে উপর্যুপরী ভাবনাসকল। স্বপ্নাবেশ। ন্যারেটিভ। যে কাহিনির ছোপটি পেছনে কাজ করছে, তা তিন-চার লাইনেই সমাপ্ত হয়ে যাবে। ছ) উপন্যাসের চরিত্র হয়তো কিছু আছে, কিন্তু মুখ্য চরিত্রের চিন্তা-ভাবনা, স্বপ্ন স্বপ্নভঙ্গ, শেষে প্রত্যয় ইত্যাদিই প্রধান। কিন্তু সেই চরিত্র ও পারিপার্শিক চরিত্র চিত্রণ সম্পূর্ণ মনোজগতের। তাদের ঘটনা বা কার্যাবলীর মাধ্যমে উদ্ঘাটিত করা নয়। তাদের মনস্তাত্ত্বিক জায়গাগুলোই উপন্যাস সৃষ্টি করেছে। জ) অস্তিত্ব-অনস্তিত্বের প্রশ্নে অনস্তিত্বকেই খাড়া করে তুলে ধরার প্রয়াস না-থাকলেও, জীবনের অর্থহীনতার কথা বারবার প্রকাশ পেয়েছে। যদিও অস্তিত্বের একটা বিশ্বময়তাও লক্ষনীয়। শেষে অর্থহীনতার মধ্যেও অর্থময়তাকে আবিষ্কারের একটা প্রচেষ্টা রয়েছে। ঝ) জীবন বিষাদময় ঠিকই, সেই বিষাদের আঁচ আছে ছত্রে ছত্রে, একটা ক্ষুদ্র বাসনা/স্বপ্ন না-পূরণের যন্ত্রণা এবং তদ্‌জনিত বিষাদময়তা ছেয়ে আছে উ্পন্যাস। চাওয়া ও পাওয়ার মধ্যে অন্তরটুকু পীড়া ও ভয়ের বা নিরাপত্তাহীনতার উৎপাদন বাড়িয়েছে ঞ) ‘অভি’ ও ‘আমি’ এই দুই চরিত্র একই, আমার হিসেবে, উপস্থাপনার গুণে ও প্রেক্ষিতে। বা বলা চলে সম্পূরক। এখানেও কিছুটা নতুনত্ব দেখতে পাই। বাকি চরিত্রগুলোও র‍্যালার মধ্যে এক ধরনের বিষাদাক্রান্ত, এবং তারাও যেন একক এক মহাচরিত্রের অংশমাত্র। ট) ভাবনা ও স্বপ্ন দৃশ্যে তথা কল্পে বা কার্যক্রমে ফ্যান্টাসি তৈরি করা হয়েছে, নানাভাবে, নানান অনুষঙ্গে ঠ) সবমিলিয়ে নাগরিক জীবনের কিছু মানুষ নিজের সঙ্গে আক্ষরিক অর্থে এই উপন্যাসের অবস্থান ও ভাবনাগত মিল খুঁজে পাবেন।

কিছু ব্যক্তিপ্রশ্ন

ক) এ-কে আমি উপন্যাস বলব কেন? এ-তো একটা সন্দর্ভ। অর্থাৎ বলতে চাইছি “টেক্সট” না-বলে নভেল কেন বলব? খ) এর ভাষা এত কাব্যিক কেন? গদ্যের ভাষা কি কবিতার ভাষা থেকে এক স্বতন্ত্র ভাষাগুণ সমন্বিত হওয়া উচিৎ নয়? একজন কবি উপন্যাস লিখছেন বলেই কি তাঁর গদ্যের ভাষার সঙ্গে কবিতার ভাষার পার্থক্য থাকবে না? গ) এত, মতো, মতন, যেন (প্রায় প্রতি পদে) কেন? এতে কি একটা একমুখী ঘোর তৈরি হয় না? এমনকি একটা সুররিয়ালিস্টিক অ্যাপ্রোচ? ঘ) কাহিনির বিস্তৃতি সেভাবে নাই থাকতে পারে, কিন্তু চরিত্র সৃষ্টি করলে, সেই চরিত্রের শুধুই ভাবনারাজি ও অতৃপ্তিরই প্রকাশ থাকবে, সেই ভাবনানুসারী সেভাবে কিছু ঘটনাবলী বা কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা থাকবে না? থাকলেও তা যথেষ্ট কি? ঙ) কিছু পরিচ্ছেদ আছে (দু-তিনটে) যার সঙ্গে এই উপন্যাসের(?) কোনো যোগসূত্র সেভাবে আছে কি? যে কোনো প্রাজ্ঞ ব্যক্তির মতো এইসব ভাবনাসকল ও মতামত নিয়ে ঔপন্যাসিক নিজেই কি নেমে পড়লেন না আসরে? এসব প্রশ্নগুলো আমার মনে জেগেছে। আমার মনে হওয়া দিয়ে নিজের মতো করে উত্তরগুলি খুঁজেছি, যা উপন্যাসকারের সচেতন প্রয়োগভাবনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলতে নাও পারে, বা অন্য পাঠকের ভাবনার সঙ্গেও। ফলে আমার ভাবনা ব্যক্তিভাবনার সম্ভবনাসমূহমাত্র।

আমার মনে হওয়া

ক) কোনো বিশেষ চলমান ঘটনাক্রম ছাড়া এ এক মানসভ্রমণ, যেখানে জীবনের অর্থময়তা খানখান করে ভাঙা হয়েছে এবং এক বিষাদময় জীবনের গান গাওয়া হয়েছে। সুতরাং জীবনপ্রবাহের কথাকে কথাসাহিত্যই ধরা উচিৎ। উপন্যাসের তথাকথিত ধাঁচাটিকে ভাঙা হয়েছে মনস্তাত্বিক অবস্থানসমূহকে প্রাধান্য দিয়ে। খ) উপন্যাসের ভাষা কাব্যিক হতে পারবে না, বা গদ্যের ভাষাবয়নকেই পাথেয় করতে হবে, এমন ফরমান যদি থেকেও থাকে, তবে তাকে অস্বীকার করার মধ্যেই উপন্যাসকার এক নতুন বার্তা দিতে চেয়েছেন সচেতনভাবে। হয়তো সীমারেখা ভেঙে ফেলাতেই এই উপন্যাসের ভাষা কাব্যিক হয়েও এক বিশেষ মাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। পড়ার সুখকে অস্বীকার করা যায় না। গ) ‘অভী’ বা ‘আমি’ বা ‘অন্যরা’ এই উপন্যাসে সর্বদাই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা। প্রত্যয় সেভাবে নাই এইসব চরিত্রে। জীবনের অর্থহীনতার মধ্যে অস্তিত্বের সংশয় তাদের ঘিরে রাখে। তাদের ভাবনা ও দেখার মধ্যেও সেই ছাপ। প্রকৃতর চেয়ে আপাতর ভিন্ন ভিন্ন রূপ, অবস্থান, ঘোর ইত্যাদিতে তারা তাদের দ্যাখা ও চিন্তনকে এককভাবে আইডেন্টিফাই করতে পারে না। সম্ভবত তাই তাদের দ্যাখাকে, তাদের অবস্থানকে, নানাভাবে ব্যাখাত করতে হয়। আসে মতো, মতন, যেন ইত্যাদিরা। তাদের মনে হয় কিছুটা হলেও প্রকাশ করা গেল, এই তুলনা সাযুয্য ইত্যাদি তুলে এনে। স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের ব্যক্ততা একটা ঘোর সৃষ্টি করে। হয়তো তা কিছুটা একমুখীন এবং সুররিয়ালিস্টিক, কিন্তু উপন্যাসকার সেটা রাখতেই চান সচেতনভাবে। ঘ) এই উপন্যাসে তথাকথিত কোনো কাহিনিমালা নেই। যা আছে, তা তিন লাইনেই সমাপ্য। যেমন— অভী, এক যুবকের ছোট্ট একটা স্বপ্ন— বারান্দাওয়ালা একটা ঘর, যেখান থেকে আকাশের তারা দ্যাখা যায়। সেই স্বপ্নের আশায় বেঁচে, যুগল (স্ত্রী, নিরু) তাদের ভ্রূণ-স্বপ্নকেই খুন করেছিল চার বছর আগে, জাস্ট লালনপালন ঠিকভাবে করতে পারবে না এই আশংকায়। যা থেকে ভয় এবং পালিয়ে বেড়ানো। কার্যত অভী, জীবনযুদ্ধে প্রায় পরাজিত সাবানগুঁড়োর সেলসম্যান। কায়ক্লেশে বাঁচে ও বিষাদগ্রস্ত। প্রাত্যহিক জীবনে কোনো পরিবর্তন না এলেও, স্বপ্ন অধরা থাকলেও, চারবছর পর তাদের বাঁচার ইচ্ছে জাগে নয়া গর্ভধারণের প্রেক্ষিতে। একটা প্রত্যয়ও কাজ করতে থাকে। কাহিনি বলতে এই-ই। এখন স্বপ্ন না-মেটা ও স্বপ্ন খুন করায় যে বাস্তবতাটুকু থাকে, তা বিশাল পৃথিবীতে নিজেকে আপনমনে বেমানান করে রাখার সামিল। সেখানে মনস্তাত্বিক যে অবস্থানগুলো পীড়িত করে, ভয়ার্ত করে, ফেরার করে রাখতে চায়, জীবনবিমুখ করে, বিষাদময়তায় ঠেলে দ্যায় তাকেই প্রায় বাধ্যত উপন্যাসকার তুলে আনেন। ফলে ঘটনার ঘনঘটা নয়, মনোজগতের আলোড়নই প্রাধান্য পেয়ে যায়। ঙ) অস্তিত্ব ও অনস্তিত্বের মাঝখানে যেভাবে জীবনের অর্থহীনতাকে প্রাধান্য দিয়ে অগ্রসরমান করা হয়েছে উপন্যাসে, তাতে একটা কালখণ্ড এক বিশাল কালখণ্ডের অংশমাত্র। আবার অস্তিত্ব অনস্তিত্বের প্রশ্নে ‘অভী’, ‘আমি’, ‘অন্যরা’, এমনকি ‘লেখক স্বয়ং’-ও একই চরিত্রভাবনার অংশীদার। প্রত্যেকের ক্ষুদ্র জীবনপ্রণালী যেন এক মহাজীবনের অংশ। তাই এরা প্রায় ভেদহীন। তাই লেখক স্বয়ং উপন্যাসে ঢুকলেন কি ঢুকলেন না, তা আর ম্যাটার করে না। কারণ অভী বা আমি ভাবলেও সেভাবেই ভাবত। চ) এই অর্থহীনতা ও বিষাদময়তা থেকে পরিত্রাণের কথা ভাবা হয়েছে একদম শেষে গিয়ে, নতুন করে বাঁচতে চাওয়ায়, পুনরায় নিরুর গর্ভধারণে, যা ইঙ্গিতময়। অসম্ভব কিছু নয়। বিচিত্র মানবজীবন সবসময় সবকিছু যুক্তি অনুসারে চলে না। এই বিচিত্রতা না-থাকলে মানুষ বাঁচতেও পারে না। হয়তো চার বছরের এই ফেরার-জীবনের অভিজ্ঞতাই তাকে আবার বাঁচার স্বপ্নে আশ্বস্ত করে। চ) কিছু পরিচ্ছেদে যেভাবে কলকাতা মহানগরীকে এবং তার নাগরিক জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে তার নিজস্বতাসহ তা বাহবা কুড়োবার যোগ্য। ছ) সবমিলিয়ে দীর্ঘদিন মনে থাকবে এই উপন্যাসটা যার নাম ‘অন্তহীন বেদনাঋতু’। পাঠক পড়লে, যা হয়তো সার্থক হবে।

অন্তহীন বেদনাঋতু/ কৌশিক চক্রবর্তী/ সৃষ্টিসুখ প্রকাশনী/ ১৬০ টাকা।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%8b%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%9a/feed/ 0
পত্র-পত্রিকায় সৃষ্টিসুখ-এর যে বইগুলো নিয়ে চর্চা চলছে… http://sristisukh.com/ss_wp/sristisukh-books-current-reviews-published-on-magazines/ http://sristisukh.com/ss_wp/sristisukh-books-current-reviews-published-on-magazines/#respond Sun, 07 Jul 2019 07:20:54 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=5468 বেবী সাউয়ের কাঁদনাগীত – সংগ্রহ ও ইতিবৃত্ত’ প্রসঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন।

সাপ্তাহিক বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত তিনটি বইয়ের আলোচনা।

নির্মল ধরের ‘উর্বশীদের দিনরাত্রি’ নিয়ে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন। ‘সংবাদ প্রতিদিন’ ও ‘এই সময়’ দৈনিকে।

বইমেলার প্রাক্কালে ‘এই সময়’ দৈনিকে সৃষ্টিসুখ-এর তিনটি বইয়ের কথা-

 

গৌরী ধর্মপালের ‘নির্বাচিত কবিতা’ প্রকাশ উপলক্ষে ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর মতামতঃ

ঈশা দেব পালের সম্পাদনায় ‘প্রমীলা পুরাণ’ নিয়ে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিভিউঃ

মণিমেখলা মাইতির ‘রোজনামচা’ নিয়ে সুখবর দৈনিকে প্রদীপ আচার্যের আলোচনা –

সরিতা আহমেদের ভেবলির ডায়রি নিয়ে লিখল ‘সাপ্তাহিক বর্তমান’।

অর্পণ পালের এবং আইনস্টাইন’ বইটির আলোচনা ‘আবাপ স্কুলে’। আলোচনা করলেন কৌশিক মজুমদার।

উত্তরবঙ্গ সংবাদ-এ শাঁওলি দে-র ‘বৃষ্টিফোঁটার মতো’ বইটির আলোচনা।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/sristisukh-books-current-reviews-published-on-magazines/feed/ 0
‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’ পড়ে কী বলছেন পাঠক? আসুন জেনে নেওয়া যাক… http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87/#respond Sun, 07 Jul 2019 06:35:47 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=5465 ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’ পড়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সহস্রাংশু গুহ। লিখেছিলেন,  ‘কৌশিক বাবুর লেখা হল অনেকটা গরম চপের মতো। গরম গরম ফুঁ দিয়ে খাবার মজাই আলাদা । তবে সব থেকে বেশি মজা হল এই যে গরম হয়তো অনন্তকাল থাকেনা এই চপ তবে বাসি কখনো হয়না । তাই স্বাদটা সবসময় প্রায় সমান ভাবেই পাওয়া যায়।

লেখকের লেখনীর সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল ‘হোমসনামা ’ দিয়ে । তাতেই এমন মজে গেছি যে তারপর থেকে একদম পারলে কড়াই থেকে ছো মেরে গরম চপ খাচ্ছি তাড়িয়ে তাড়িয়ে । গেলো শনিবার সৃষ্টি সুখের সাহিত্য উৎসবে গিয়ে একদম ফ্রেশ ফার্স্ট কপিটা সংগ্রহ করেছিলাম ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’র উপরি পাওনা ছিল লেখকের সাক্ষর । রবিবার থেকে পড়া শুরু করে আজ এই ঘন্টাখানেক আগে শেষ করলুম । সাধের লেখকের সাধের বই পড়ে বৈরাগী হয়ে তাই সদ্য সদ্য পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে বসেছি ।…

১) গবেষণা ধর্মী ৫০ টি প্রবন্ধ রয়েছে এই বইতে যেগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তী কোনও সম্পর্ক নেই (আক্ষরিক অর্থেই কুড়িয়ে বাড়িয়ে ) তাই এ বই শেষ থেকে শুরু করে প্রথম অবধিও পড়া যেতে পারে । পাঠক ইচ্ছে করলে শিবরামের মতন মাঝখান থেকে শুরু করে সমান্তরাল ভাবে শুরু ও শেষের দিকে এগোতে পারেন, কোনও অসুবিধে নেই ।

২) পঞ্চাশটি ভিন্ন প্রবন্ধ পরে পাঠক বন্ধুরা বিষয় বস্তুর স্বাদ আস্বাদন করতে পারেন তবে বিশেষ কোনও বিষয়ে পণ্ডিত হওয়ার জন্য এই বই নয় । এ বই সবার জন্য । সীমিত সংখ্যক তথ্য সুচারু ভাবে পরিবেশন করেছেন লেখক ।

৩) বইটির অনবদ্য প্রচ্ছদ বানিয়েছেন প্রখ্যাত শিল্পী দেবাশীষ দেব , প্রচ্ছদটিই যথেষ্ট যেন পাঠকের পাঠ পূর্বক অ্যাড্রিনালিন রাশ ঘটানোর জন্য। আর হ্যাঁ, বইটি যে বয়েস নির্বিশেষে সকলের পাঠ যোগ্য তারও যেন আভাষ পাওয়া যায় প্রচ্ছদ দেখেই।

৪) লেখকের লেখনীর গুনে তথ্য সমৃদ্ধ লেখাও যে সুখপাঠ্য হতে পারে সে পরিচয় আমি আগেও পেয়েছি কৌশিক বাবুর লেখা পরে । এ বই তার ব্যতিক্রম নয় । কলমের গুণে তথ্য নির্ভর ছোট ছোট প্রবন্ধ গুলি যেন জীবন্ত হয়ে এ বইকে আনপুটডাউনেবেল করে তুলেছে ।

৫) বইয়ের নাম যতই কুড়িয়ে বাড়িয়ে হোক প্রবন্ধের সংকলন কিন্তু লেখক করেছেন অত্যন্ত যত্ন নিয়ে। প্রতিটি প্রবন্ধই মন ছুঁয়ে যায়। আরও বেশি জানার খিদেটা বাড়িয়ে তোলে।
৬) লেখার সাথে সাথে রয়েছি ছবি ও তথ্য সূত্র যাতে পাঠকের বিষয় সম্বন্ধে আরও গভীরে জ্ঞানার্জনের ইচ্ছে হলে নিদেনপক্ষে শুরুটা কোথা থেকে করবেন সে ব্যাপারে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয় ।

৭) ছোটবেলায় যারা আনন্দমেলা পড়তেন তাদের মনে থাকা উচিত আনন্দমেলায় ছোট ছোট অনুচ্ছেদে একসময় দেশবিদেশের নানা অজানা নতুন খবর থাকতো । মার্জিত ভাষার গুণে এ বই পরে অনেক দিনের হারানো সেই স্বাদটা আস্বাদনের মজা পেলাম ।’

অপর মনযোগী পাঠক স্বর্ণপালি মাইতি জানিয়েছিলেন, ‘সত্যজিৎ রায় কে তো আপনি হরলিক্সের ন্যায় গুলে খেয়েছেন। এই বইয়ের মজা হল যেখান থেকে খুশি পড়া শুরু করা যেতে পারে। টুকরো টুকরো জ্ঞানের ভান্ডার৷ আপনার লেখনির গুণে যতগুলি প্রবন্ধ পড়লাম, সব কটি সুখপাঠ্য। দেবাশীষ দেবের প্রচ্ছদ আর তার মধ্যে বেড়াল টাকে দেখতে পেয়ে যার-পর-নাই খুশী হলুম।
পরিশেষে বলি,বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এত পড়াশুনো এক জন্মে করতে পারলেই জন্ম সার্থক হয়ে যায় মানুষের। আপনি লিখতে থাকুন। লেখনী আরো সমৃদ্ধ হোক। আর আমরা সে সব পড়ে আনন্দে থাকি।’

শুভ আইচ সরকার লিখলেন – ‘ জ্ঞানের আড়ৎ এই বই টা। যারা ক্যুইজ করেন, তাদের জন্য লাইনে লাইনে রসদ। কোনদিক বাদ দেন নি লেখক, সিনেমা, সাহিত্য, বিজ্ঞান কি নেই এই বই তে। এবং সংক্ষিপ্ত না, বরং কিছু ক্ষেত্রে বেশ বিস্তারিতই আছে বলে মনে হয়েছে। ননফিকশন ঘরানার এমন বই বিগত কয়েক বছরে বাংলাতে বেরিয়েছে বলে মনে পরছে না। (লেখকের আগের বই গুলো যারা পড়েছেন, তারা হয়ত একমত হবেন যে ননফিকশনের এই ঘরানায় এই মুহুর্তে তিনিই সেরা।) তার উপরে পাতায় পাতায় ছবি আপনাকে বই এর সাথে ধরে রাখবে। লেখার স্বচ্ছলতা আর সাথে ঝা চকচকে পৃষ্ঠা ও ছাপা অন্য মাত্রা দেয়। ব্যক্তিগত ভাবে আমি এইরকম লেখার অনুরাগী তাই আমার খুব ভাল লেগেছে, তাই বলছি যারা এখনও ভাবছেন তারা কিনে ফেলুন।’

দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, ‘”কুড়িয়ে বাড়িয়ে” আমার পড়া কৌশিক মজুমদারের তৃতীয় বই। ঠিক এর আগের বই ‘তোপসের নোটবুক’ পড়ে এতো অসাধারণ লেগেছিল যে এই বইটা অর্ডার দিতে দেরি করিনি। পুরো বইটা পড়ে জাস্ট ব্যোমকে গেছি। শুরুতেই সিনেমার ইতিহাস নিয়ে লেখা প্রবন্ধ গুলো সমসাময়িক বাংলা প্রবন্ধের মধ্যে অন্যতম হয়ে থাকবে। বিশেষ করে “এক দৃশ্যের জন্ম” এবং “বাংলা ছায়াছবির নির্বাক নায়িকারা” বাংলা সিনেমার ইতিহাস রচনায় অন্যতম মাইলস্টোন হয়ে থাকবেই। কমিকস নিয়ে লেখকের আগেও লেখা পড়েছি কিন্তু কমিকসের স্রষ্টাদের নিয়ে এই লেখা আগের সব লেখাকে যেন ছাপিয়ে গেছে। সাহিত্য বিভাগে “জুল ভাৰ্ণ” আরেকটি মাস্টারপিস এই বইয়ের। তবে সমালোচনা করতেই হয় বলে বলা “কিং আর্থার” প্রবন্ধটির মধ্যে লেখকের পূর্ববর্তী বই “হোমসনামা” বেশ কিছু অংশ পাওয়া যায়। আমি আদৌ সাহিত্য সমালোচক নই। তবে এমন বইটি হাতে পেয়ে কয়েকটা কথা লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না।’

এখন আপনি, কী বলছেন?

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87/feed/ 0
বিশ্বরূপ মহারাজের অনুবাদে ‘আলোকসাগর পারে’র নির্বাচিত অংশ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/#respond Sun, 07 Jul 2019 06:18:41 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=5462 শ্রদ্ধেয় স্বামী নিত্যসত্যানন্দ, বিশ্বরূপ মহারাজ নামে যিনি সকলের কাছে পরিচিত, হাতে তুলে নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদারের ‘আলোকসাগর পারে’ বইখানা। তারপর তাঁর ছাত্রছাত্রীরা, যারা বাংলা পড়তে পারে না, তাদের জন্য মুখে মুখেই তর্জমা করেন বইয়ের একাধিক প্রবন্ধ। নিউটন, ফ্যারাডের জীবনের কথা শোনাতে থাকেন ছোটোদের। পরে, নিউটনের উপর লেখা প্রবন্ধটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেও তাঁর পরিচিতদের পড়াতে উদ্যোগী হন।

এই আশীর্বাদ মাথা পেতে নিল ‘সৃষ্টিসুখ’। তাঁকে প্রণাম।

আগ্রহীদের জন্য থাকল মহারাজের করা নিউটনের উপর লেখা প্রবন্ধটির অনুবাদ।

——————

A glimmer of life

A small town in Lincolnshire, England, named Grantham.

From there, a remote village of Woolsthorpe, about six-seven miles west.

Most of the people in that village were illiterate and almost every family’s livelihood was agriculture.

Newton was born in an uneducated farmer’s house. Isaac’s father had a farm in the village. Farming would have earned fairly well. Father died three months before Newton’s birth Naturally, all the responsibilities of bringing up Newton came to her mother. Newton’s mother would have to handle all the tasks alone – home affairs, care of the child, farm work, crop sales.

When Newton was three years old, a deep crisis came down in his family. Newton’s mother again got married. Newton’s mother Hannah married to Smith, an elderly, wealthy and religious leader of a village several miles away from Woolsthorpe.

Before marriage, Smith gave his would-be wife, Newton’s mother, some conditions. Among them, Smith will be responsible for Newton’s support. In addition, maintenance of Newton’s late father’s farmhouse and homestead, whatever needs to do will be done by Smith. Hannah and Smith will have no rights at any income related to the accumulated money and cultivation of Newton’s late father.

However, soon Newton’s mother got married and after the marriage, Newton’s mother went to the second husband’s house, in the remote village. After the marriage, Newton’s Step-father objected to the fact that he will be not be taken with them.

Then began the extreme crisis in the child’s life of Newton

Since his knowledge, he could not see his father. In this vacancy will have to leave his mother again. With such a great helplessness, frustration, anguish and extreme experience of pain, Newton’s other childhood began.

After Mom left, little Newton had to go to his grandmother. In the custody of the grandmother he grown a little. Due to being a little older, she admitted Newton to the primary school. Newton started studying.

The pain and neglect of childhood experience had a great effect on the young Newtons sentiment. From his childhood, mother’s affection and loveless Newton became very quiet. There was no one; alone, except friends, and the atmosphere became natural. There was nothing in the motivation. Solitary and lonely life was Newton’s daily companion.

In this way, Newton continued to grow bigger in the Woolsthorpe farmhouse with his grandmother. Newton was very interested in any kind of equipment since then. He was able to open the small machinery ans equipment, even the lock, etc., by looking at them with deep motive.

By doing these things, Newton himself learns to create a variety of sophisticated models.

Collection:

Poor farmars son became Lucasian professor of mathematics

Article compilation of Siddharth Majumdar

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6/feed/ 0
ঢেউ এবং সংকেত-সৌমনা দাশগুপ্ত http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%a2%e0%a7%87%e0%a6%89-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%97%e0%a7%81/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%a2%e0%a7%87%e0%a6%89-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%97%e0%a7%81/#respond Sun, 28 Jan 2018 02:14:40 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=4361 ২০০৮-এ কৃত্তিবাস পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। তারপর এক দশক তাঁর আর কোনও কবিতার বই প্রকাশিত হয়নি। ২০১৮-র কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হতে চলেছে সৌমনা দাশগুপ্তের তৃতীয় কবিতা সংকলন ‘ঢেউ এবং সংকেত’। সৃষ্টিসুখ প্রকাশনের স্টল (442) থেকে সংগ্রহ করা যাবে বইটি। প্রচ্ছদ পার্থপ্রতিম দাস।

=======

যে দৃশ্যগুলো বসে আছে
ছবি হবে বলে, তাদের
অনুবাদ করা যায় না

একটি পূর্ণিমার জন্য
বসে বসে হাঁফিয়ে উঠেছে
যেই নদী, তার অনুবাদ
দরজার জন্য বসে যে ঘর
ধানের জন্য যে গোলা
বর্ষার জন্য যে ব্যাঙ

রং তুলি সব তৈরিই আছে
শুধু একথালা ভাতের জন্যই
জুঁইফুল অনুবাদ করা যাচ্ছে না

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%a2%e0%a7%87%e0%a6%89-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%97%e0%a7%81/feed/ 0
চেনা আলো চেনা অন্ধকার-বিমোচন ভট্টাচার্য http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ae/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ae/#respond Fri, 26 Jan 2018 11:53:53 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=4351

বিমোচন ভট্টাচার্য-র লেখার জনপ্রিয়তা নিয়ে সামান্য বিশ্লেষণ করলেই দেখা যায়, তাঁর লেখাগুলো আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা দেয়। বিখ্যাত পিতার (মধুসংলাপী বিধায়ক ভট্টাচার্য) পুত্র হওয়ার কারণে বাংলা চলচ্চিত্র ও থিয়েটারের বহু পরিচিত ও বিখ্যাত মানুষকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে তাঁর ছোটবেলা থেকেই। আর এসবের সঙ্গে আছে তাঁর নিজের জীবনের আপাত-সাধারণ নানা পর্যবেক্ষণ। আসলে অভিজ্ঞতা শুধু প্রত্যক্ষ করাতেই শেষ হয় না। তাকে ধারণ করার মতো আধারও জরুরি দারুণভাবে। বিমোচনবাবুর লেখা সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

গতবছর বইমেলায় তাঁর ‘তোমার পরশ আসে’ প্রকাশের পরে যে ভালোবাসা পাঠককুল ফিরিয়ে দিয়েছেন, তা এককথায় আমাদের জন্যে অভূতপূর্ব। এই বছর কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হতে চলেছে বিমোচন ভট্টাচার্য-র ‘চেনা আলো চেনা অন্ধকার’। পাওয়া যাবে সৃষ্টিসুখ-এর স্টলে (442)। নিচে রইল বইটি থেকে একটি ছোট গদ্য।

===============

নিতাইদাকে মনে আছে তো আপনাদের? প্রতিদিন আমাদের পাড়ার মন্দিরে মা কালীকে গান শোনান। রাতে যাবার সময় ওয়ান্নিং দিয়ে যান মা কালীকে। মনে পড়ছে? সেই লকাই আর নিতাইদা।
তো এই নিতাইদা পেশায় ইলেক্ট্রিসিয়ান। থাকেন আমাদের আবাসনের পেছনদিকের রেল কোয়ার্টারে। আমাদের পাড়ায় কাজ করেন না। একটি দোকান আছে শুনেছি নাগেরবাজারের কাছে। সেই এলাকাতেই কাজ করেন।
প্রায় কুড়ি বছর দেখছি আমি নিতাইদাকে। যখন রেগুলার আড্ডা মারতাম, তখন রোজ দেখা হত। এখন কোনোদিন রাতে ক্লাব থেকে ফেরার পথে দেখা হয়ে যায়। মা কালীর সাথে কথোপকথন শেষ করে বাড়ি ফিরছেন। একগাল হেসে আমায় বলেন, “ভালো তো ব্রাদার?” পেছন পেছন যায় রাজ্যের কুকুর। ওদের বিস্কুট খাওয়াতে খাওয়াতে বাড়ি ফিরে যান নিতাইদা। বলে রাখা ভালো, এতদিনে কোনোদিন নিতাইদাকে সকালে দেখিনি আমি।
গত সোমবার আমার বাড়ির একটা পাখা খারাপ হয়ে গেল হঠাৎ। আমার বাড়ির ইলেক্ট্রিসিয়ান বলরাম বাইরে গেছে। আর কাউকে পেলাম না। এদিকে এই গরমে পাখা ছাড়া চলবে না। ভাবলাম, আরে নিতাইদা তো ইলেকট্রিক মিস্তিরি। যাই একবার।
ভিলার পেছনদিকের রেল কোয়ার্টারে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে ওরা দেখিয়ে দিল নিতাইদার বাড়ি। দোতলা কোয়ার্টারের একতলায় যারা থাকেন, অধিকাংশই রেলের কর্মচারী নয়। সাবলেট করা। বেশিরভাগ বিহারী। একটি বাড়ির (এগুলিকেই মনে হয় ব্যারাক বলা হত) একেবারে শেষ ঘরটা নিতাইদার। ডাকলাম। একটা লুঙ্গি পরে খালি গায়ে বেরিয়ে এলেন নিতাইদা। বললেন, “কী চাই বলুন?” চিনতেই পারলেন না আমায়। বললাম, “একটা পাখা খারাপ হয়েছে বাড়ির।” কথা বাড়াতে দিলেন না নিতাইদা, রাগত স্বরে বললেন, “আপনাকে কে বলেছে আমি পাখা সারাই?” আমি বললাম, “কেউ বলেনি, শুনেছিলাম আপনি ইলেক্ট্রিসিয়ান।” আরও রেগে গিয়ে বললেন, “কে আপনাকে কী বলল সে নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। শালা, জোটেও সব আমার কপালেই। কোন শুয়োরের বাচ্চা রটিয়ে দিয়েছে যে আমি ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি, রোজ বাঁ* কেউ না কেউ চলে এসে বলছে, পাখা সারাও, আলো সারাও। যান তো মশাই। আর কোনোদিন এলে গাঁ* ভেঙে দেব। চিনি না, শুনি না চলে এসেছেন বাঁ* সক্কাল সক্কাল নিতাইদার গাঁ* জ্বালাতে।”
বাইরে এলাম। কাল লাল হয়ে গেছে আমার অপমানে। দেখি শংকর, আমার গাড়ি চালায় মাঝে মাঝে। বলল, “কাকু, নিতাই জ্যেঠুর ওখানে গিয়েছিলেন কেন?” বললাম কেন গিয়েছিলাম। শংকর বলল, “নিতাই জ্যেঠুর ছেলেটা গলায় দড়ি দিয়েছে দু-দিন আগে। কাল বডি পেয়ে শ্মশান থেকে অনেক রাত্রে ফিরেছি আমরা। আর তাছাড়া কাকু, নিতাইজ্যেঠুর লিভারে ক্যান্সার ধরা পড়েছে দিন পনেরো আগে। কিছু মনে করবেন না। নিতাই জ্যেঠু কিন্তু এমন মানুষ নয়।” চলে এলাম বাড়িতে। মনটা খারাপই হয়ে থাকল।
কাল রাতে বাড়ি ফিরছি ক্লাব থেকে দেখি নিতাইদা ফিরছেন। আজ একটু বেশি খেয়েছেন মনে হয়। পেছনে কুকুরের দল নিয়ে নিতাইদা বাড়ি ফিরছেন। আমি পাশ কাটিয়ে চলে আসব, আমার দিকে চোখ পড়ল নিতাইদার। হাত তুলে একগাল হেসে বললেন, “কী ব্রাদার, দেখতেই পাচ্ছো না যে গরিব দাদাকে। অনেকদিন দেখি না। শরীর ভালো আছে তো?”
ভাবছিলাম কতদিনই বা বাঁচবেন আর নিতাইদা। কিন্তু নিতাইদা চলে গেলে বড় ফাঁকা ফাঁকা লাগবে বাসস্ট্যান্ডের মন্দিরটা। ফাঁকা ফাঁকা লাগবে রাতের পাড়াটা। চলে তো যাবেনই নিতাইদা। নোটিশ তো পেয়েই গেছেন হাতে। যেতে হবেই ঘর খালি করে।
আজ না হয় কাল…

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ae/feed/ 0
বইমেলা ও সৃষ্টিসুখের ইতিবৃত্ত – রোহণ কুদ্দুস http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf/#respond Thu, 25 Jan 2018 02:15:11 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=4364 বইমেলা উপলক্ষে সৃষ্টিসুখ-এর বইয়ের প্রচ্ছদ, খবর, প্রিভিউ, টিজার ফেসবুকে শেয়ার করতেই থাকব। তাতে অজস্র মানুষ প্রশংসাও করতে থাকবেন। অনেকেই গিয়ে বইগুলো আমাদের স্টল থেকে কিনবেনও। কিন্তু যেহেতু সৃষ্টিসুখ-এর ‘মুখ’ (বা মুখপাত্র, যা বলবেন) হিসাবে আমি কাজ করি, তাই আমাদের টিমের বাকিদের কথা জানতেই পারেন না অনেকে। বলাই বাহুল্য, এই কর্মযজ্ঞ সামাল দেওয়া আমার একার কম্মো নয়। তাই আসুন, বইমেলার ব্যস্ততা শুরু হওয়ার আগে একবার দেখে নেওয়া যাক কারা আছেন এই বইমেলায় সৃষ্টিসুখ-এর বইগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে আপনাদের সামনে পেশ করার নেপথ্যে।

প্রথমেই বলে নিই আমাদের ইলাস্ট্রেটার এবং কভার ডিজাইনারদের কথা।
অরিজিৎ ঘোষ আমাদের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে সদ্য। ওর করা টগবগ-এর উৎসব সংখ্যার কভার থেকে ভেতরের ইলাস্ট্রেশান দারুণ প্রশংসা পেয়েছে। এবারে ও করল ফিসফাস ৩-এর প্রচ্ছদ।
যোগ দিয়েছে নক্ষত্র সেন। ওর প্রচ্ছদ মুগ্ধ করছে। সৌরভ মিত্র, অলোকপর্ণা, উমাপদ কর, স্বপন রায় — এরকম আরও কিছু প্রচ্ছদের দায়িত্বে ছিল নক্ষত্র।
আমাদের সঙ্গে এবার কাজ শুরু করলেন আরও একজন — দীপাঞ্জন বোস। কার্টুনধর্মী আঁকাআঁকি থেকে শুরু করে সিরিয়াস প্রচ্ছদ সবেতেই তাঁর অবাধ যাতায়াত।
একটাই বইয়ের কাজ করেছেন দেবাশীষ রায়। সুজন দাশগুপ্তের ‘সুজনকথা’য় লেখককে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন দেবাশীষ।
অভিষেক হল অমৃতরূপা কাঞ্জিলালেরও। ঋজুরেখ চক্রবর্তীর কবিতা সংকলনের অসাধারণ একটা প্রচ্ছদ করেছেন তিনি।
অন্যান্য বারের মতোই আছে পার্থপ্রতিম দাস, আমাদের পার্থদা, হাসিমুখে যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া তার বিশেষত্ব। পার্থদার কাজের তালিকা দীর্ঘ। আশা করা যায়, সৃষ্টিসুখ-এর স্টলে চোখ বন্ধ করে যে কোনও বইয়ে হাত দিলে সেটাতে পার্থদার কাজ থাকার সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ।
আর যিনি না থাকলে সৃষ্টিসুখ এবং হ য ব র ল সম্পূর্ণ নয়, সুমিত রায়, সুমিতদার কাছে আমাদের ঋণ বেড়েই চলেছে। সুমিতদার ইলাস্ট্রেশান, প্রচ্ছদ এবং একনাগাড়ে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষমতা উজ্জীবিত করে। আজকাল লেখকদের সঙ্গে সঙ্গেই পাঠকদেরও (হ্যাঁ, পাঠকদেরও) ফরমায়েশ থাকে — “অমুক বইয়ে সুমিতবাবুর কাজ চাই।”

বই ছাপাখানায় যাওয়ার পর থাকে সবথেকে বড় ব্যাপার — ছাপা, ভাঁজাই, বাঁধাই, কাটাই — এককথায় বইয়ের বই হয়ে আসা। অনেকেই জানেন, সৃষ্টিসুখ এখন একটা ছাপাখানার অংশীদারও বটে। আমরা আদর করে ডাকি ‘সৃষ্টিসুখ প্রিন্ট’। এখন আমরা ডিজিটালে, মূলত প্রিন্ট অন ডিমান্ডের কথা মাথায় রেখে। ক্রেতা-পাঠকের আশীর্বাদে বছরখানেকের মধ্যে আমরা অফসেটেও একই রেটে খেলতে শুরু করব। যাই হোক, সৃষ্টিসুখ প্রিন্ট থেকে আমাদের সমস্ত আবদার, চাহিদা, শেষ মুহূর্তের অন্যায় বায়না সামলে চলেন রাজীব রায়চৌধুরী। বিরাটের যেমন ধোনি, আমার তেমন ‘ক্যাপ্টেন কুল’ রাজীবদা। কোন বই কত কপি হবে, কেমন হবে তার সমস্ত খুঁটিনাটি রাজীবদার নখদর্পণে।

আর সবশেষে যার কথা না বললেই নয়, যে ছাড়া সৃষ্টিসুখ এভাবে কাজ করতেই পারত না, বিশ্বজিৎ বেরা। হাসিমুখে রোদ-ঝড়-বৃষ্টি মাথায় করে যে ছেলেটা প্রেস থেকে আউটলেট হয়ে পোস্ট-অফিস, কুরিয়ার, ধ্যানবিন্দু, দে-জ, অভিযান হেঁটে চলে এবং তারপরেও আপনাদের রাস্তা দেখিয়ে আমাদের আউটলেটে নিয়ে আসে। এমনকী, পুজোর ছুটিতেও একটা মাত্র বই পৌঁছে দিতে যে হাওড়া থেকে বিশরপাড়া রওনা দেয়, তার ডেডিকেশান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে না। সবথেকে বড় কথা, সমস্ত কিছুর পরেও হাসিমুখে আমায় সহ্য করে এবং প্রয়োজনে আমায় ধমক দেয়, বিশ্বজিৎ। এবার বইমেলার 442 নাম্বার স্টলে হাজিরা দিলে দেখবেন সে এককোণে আপনাদের ফরমায়েশ মিটিয়ে চলেছে। একবার হাত মিলিয়ে আসবেন অবশ্যই। আজ থেকে অনেকগুলো বছর পর আমরা যখন আর একটু বড় হব, এই বিশ্বজিৎকেই ‘ডিয়ার স্যর’ বলে মেল করতে হবে কিন্তু।

এর পরেও অনেকেই নামই বলা হল না। আমার যা স্মৃতির বহর… এরপরও কমেন্টে দেখবেন অনেকেই মনে করিয়ে দেবেন। তাঁদের নিয়ে না হয় আরও একটা পোস্ট হবে। আপাতত এটুকুই। দিনটা ভালো যাক সব্বার।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%ac%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/ 0
চার-প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be/#respond Wed, 24 Jan 2018 13:08:32 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=4358 থ্রিলার, কল্পবিজ্ঞান, ইতিহাস, মানবিক — এই বিষয়গুলো নিয়ে ‘চার’। চারটি নভেলাকে আলাদা করে অবশ্য কোনও নির্দিষ্ট ধারায় শ্রেণিভুক্ত করা যায় না। প্রতিটি কাহিনিতেই কমবেশি এই লক্ষণগুলো বিদ্যমান।

প্রবীরেন্দ্রর গল্পের বিষয় ডিসটোপিয়ান পৃথিবীতে কয়েকজন কিশোরের অ্যাডভেঞ্চার, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের তিব্বত যাত্রা, মানুষের নিয়তি-নিয়ন্ত্রক কম্পিউটার থেকে শুরু করে আটলান্টিকের গভীরে সাবমেরিনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্পাই-কাউন্টার স্পাইয়ের মারণখেলা পর্যন্ত অনায়াসে যাতায়াত করে।

এই মুহূর্তে যে কয়েকজন লেখক বাংলা কিশোরসাহিত্যে নতুন করে প্রাণবিন্দু সঞ্চারের চেষ্টায় আছেন, প্রবীরেন্দ্র তাঁদের মধ্যে অন্যতম।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be/feed/ 0
নাইন্থ সিমফনি-অশোক ঘোড়ই http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%ab%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a7%9c%e0%a6%87/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%ab%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a7%9c%e0%a6%87/#respond Mon, 22 Jan 2018 16:46:03 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=4339 যে সমস্ত কবির প্রথম বই সৃষ্টিসুখ গত সাত বছরে প্রকাশ করেছে, তাঁদের তালিকায় যুক্ত হল অশোক ঘোড়ইয়ের নাম। গদ্য কবিতার সংকলন ‘নাইন্থ সিমফনি’ কলকাতা বইমেলা ২০১৮-য় সৃষ্টিসুখ-এর স্টলে (442) পাওয়া যাবে।

প্রচ্ছদ – পার্থপ্রতিম দাস।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%ab%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a7%9c%e0%a6%87/feed/ 0
সুজনকথা-সুজন দাশগুপ্ত http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/ http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/#respond Sun, 21 Jan 2018 16:40:18 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?p=4336 যে লোকটি তেইশ বছর বয়সে দেশ ছেড়ে পঞ্চাশ বছর মার্কিন মুলুকে কাটালেন, তাঁর ঝুলিতে গল্প তো থাকবেই। আর তিনি যদি হন সুলেখক? সোনায় সোহাগা।

সুজন দাশগুপ্তের স্বভাবসিদ্ধ উইট, হিউমারে ভরা আত্মকথন ‘সুজনকথা’। দেবাশীষ রায়ের করা প্রচ্ছদ আর অলংকরণে সজ্জিত বইটি কলকাতা বইমেলা ২০১৮-য় থাকছে সৃষ্টিসুখ-এর স্টলে (442)।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/feed/ 0