Warning: The magic method Vc_Manager::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php on line 203

Warning: Undefined array key "msg" in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/Woocommerce302_PumCP/index.php on line 24

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\RestApi\Utilities\SingletonTrait::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-rest-api/src/Utilities/SingletonTrait.php on line 48

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\Admin\FeaturePlugin::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-admin/src/FeaturePlugin.php on line 312

Warning: Constant WP_MEMORY_LIMIT already defined in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-config.php on line 91

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php:203) in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
অণুগল্প – সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp নতুনদের জন্যে নতুন বই Sat, 21 Sep 2024 04:00:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.7.15 http://sristisukh.com/ss_wp/wp-content/uploads/2017/06/cropped-icon_ss-32x32.png অণুগল্প – সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp 32 32 জারজস্থান / বিলাল হোসেন http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8/#respond Thu, 13 Aug 2020 11:59:15 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=6249 বিলাল হোসেনের অণুগল্প-সংকলন। 

]]>
বিলাল হোসেনের অণুগল্প স্বাতন্ত্র্যে ভাস্বর। মিতায়তন, মিতবাক তাঁর আখ্যান সততই ব্যঞ্জনাময়। তীব্র সংবেদী, আশ্চর্য বার্তাবহ। ছাপোষা সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার কাহিনিতেই তিনি সংযুক্ত করতে পারেন গোটা সমাজের আত্মপরিচয়। প্রশ্ন-পরিপ্রশ্নের দোলাচলে ফুটে ওঠে সময়ের সংকট। দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। যেন এসবের ভিতর দিয়েই জীবনের আকাশে খেলে যায় অদেখা এক আলো। কাহিনিকারই কেবল পাঠকের হাতে তুলে দিতে পারেন সেটুকু।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8/feed/ 0
শহরের সিম্ফনি http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ab%e0%a6%a8%e0%a6%bf/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ab%e0%a6%a8%e0%a6%bf/#respond Thu, 28 May 2020 04:38:14 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=6067 অতনু দে-র গল্প সংকলন।

]]>
গল্পের বই যেন এক আশ্চর্য নগর! তারও আছে নিজস্ব আকাশ। কখনও তা রোদ-ঝলমলে। কখনও বা অংশত মেঘলা। আমাদের অগোচরেই নানা সুরে বেজে ওঠে সে-নগরের মন। ছোটো ছোটো দুঃখ-ব্যথা, পুষে রাখা অব্যক্ত যন্ত্রণার পুকার। কখনও আবার জীবন আর জীবনের মর্মের মুখোমুখি হয়ে যাওয়া দ্রুত লয়ের বিস্তারে। সে-দ্রুততা যেন সময় আর প্রযুক্তিকে ছাপিয়ে পৌঁছে যেতে চায় কোনও এক অন্যদেশে, যা আদপে কল্পনার। কিন্তু গল্পের দেশের মজা এই যে, সেখানে এই কল্প-বাস্তবতাই ঘোরতর বাস্তব। পাঠক তাই পাতা উলটেই পৌঁছে যেতে পারেন বাস্তবতার বহুমাত্রিক ভূমিতে। একজন কুশলী গল্পকারই হয়ে উঠতে পারেন এই আশ্চর্য নগরের স্থপতি। অতনু দে তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থেই সে কাজ করেছেন আন্তরিকতায়, পরিশ্রমে, মননশীলতায়। তাঁর কলমে তাই সিম্ফনি হয়ে বেজে উঠেছে শহরের মন। মূর্ছনা তোলা থাকল অনুভবী পাঠকের জন্য।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ab%e0%a6%a8%e0%a6%bf/feed/ 0
Punchকাহন http://sristisukh.com/ss_wp/product/punch%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%a8/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/punch%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%a8/#respond Fri, 21 Jun 2019 11:28:32 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5383 সুবর্ণা রায় অণুগল্প লিখছেন বছর পাঁচেক হতে চলল। ইতিমধ্যে দুটি সংকলন প্রকাশ পেয়েছে, কলকাতা বইমেলা ২০১৯-এ প্রকাশিত হল, Punchকাহন। অনেকগুলো অণুগল্পের সঙ্গে ৪টি ছোটগল্পও এই সংকলনে ঠাঁই পেয়েছে।

কেমন লেখেন সুবর্ণা? এককথায়, স্মার্ট। তাঁর গল্পে থাকে সায়েন্স ফিকশন এবং ফ্যান্টাসির যাবতীয় উপাদান। আবার একই সঙ্গে লেখাগুলো কোথাও যেন বড় মাটির কাছাকাছি। তাঁর গল্পে স্পেশশিপ বা এলিয়েনের সঙ্গেই ঠাঁই পায় প্ল্যাটফর্মে বসে ফল বেচা প্রৌঢ়, ঘরের ঠিকানা ভোলা ভবঘুরে, দারিদ্রে পথে এসে দাঁড়ানো মানুষজন। কিন্তু সব গল্পেই যে জিনিসটা নজরে পড়ে, সেটা হল তাঁর Punch– শেষ কয়েক লাইনের মাস্টার স্ট্রোক বা ভালো বাংলায় মোচড়। তাই এই Punchকাহন নামটা যেমন সেদিক থেকে তাঁর লেখালেখির জন্যে যথোপযুক্ত, তেমনই কোথাও যেন বারবার নামটা বললে মনের মধ্যে পঞ্চকাহন কথাটাও ঘাই মারে।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/punch%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%a8/feed/ 0
লেটারবক্স http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-2/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-2/#respond Fri, 21 Jun 2019 11:01:51 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5374 বইয়ের নাম ‘লেটারবক্স’। ভূমিকায় লেখক জানিয়েছেন–

বয়স বাড়লে যখন চিঠি লেখার অনুমতি মিলল আর জন্ম নিল উত্তরের অপেক্ষা, স্কুলছুটির দুপুরগুলোতে উঁকি দিতাম সদর দরজার লেটারবক্সে। রঘুবীরকাকা নিঃশব্দে ফেলে দিয়ে যেত চিঠি। কেবল উলটোদিকে সুষমাদের বাড়িতে লেটার বক্স ছিল না বলেই হয়তো, একবার হাঁক দিত— চিঠি আছে! লোকটা যন্ত্রের মত বিলি করে যেত। কাঁধের ঝোলায় বয়ে নিয়ে বেড়াত হাজারো মানুষের সুখদুঃখ, হাসিকান্নার দাস্তান। 
তখন থেকেই আমার কাছে চিঠি মানে গল্প। জীবনের গল্প। আর লেটারবক্স মানে ছিল গল্পের ভাণ্ডার। ঠিক যেমন গল্পরাও বয়ে চলে অসংখ্য জীবনের বার্তা, কান্নাহাসি, ভালোবাসা আর দীর্ঘশ্বাসের খবর। সেই অর্থে আমার এই তৃতীয় গল্পসঙ্কলন তো আক্ষরিক অর্থেই লেটারবক্স! বত্রিশটা অণুগল্প আর ছয়খান ছোটগল্পে ঠাসা এই ‘লেটারবক্স’ রইল পাঠকদের জন্য।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8-2/feed/ 0
একদিন বাঘ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%98/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%98/#respond Wed, 19 Jun 2019 14:35:29 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5280 জাতশিল্পী সকলেই নয়, কেউ কেউ মাত্র হতে পারেন। এত শিল্পী কেন, এরকম প্রশ্নের অরণ্যে হাঁটতে হাঁটতে এঁদের চোখে পড়ে, যাঁদের উত্তর দেবার গরজ নেই। সৃষ্টির আনন্দ ও তাকে রসোত্তীর্ণ করে তোলার নেশাতেই তাঁরা বুঁদ। বাংলা অণুগল্পকে যদি পৃথক ঘরানা ধরা হয়- যদিও এ নিয়ে বিতর্ক বিস্তর- তবে ব্রতী মুখোপাধ্যায় নিঃসন্দেহে সেই জাতশিল্পীদের একজন হিসাবেই চিহ্নিত হবেন। এমনিতে ছোটগল্পের স্টেপ জাম্প করে বিশ্বসাহিত্য ক্রমশ সরাসরি উপন্যাসের দিকে এগিয়ে গিয়েছে বা যাচ্ছে। তবু বাঙালি পাঠক, কয়েকজন জাতশিল্পীকে পেয়েছে বলেই জানে ছোটগল্পের মণিমুক্তো ঠিক কত জমা আছে সিন্দুকে। একই কথা বলা যায় অণুগল্পের ক্ষেত্রেও। যদিও বহর, বিস্তার ইত্যাদির নিরিখে অণুগল্পের আকাশে বহু দ্বিধা, সংশয়, প্রতর্কের মেঘ ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু আসল কথা হল রামধনুর উদয়। ওই মেঘের ভিতরেই থাকে অনুভবের পরিশ্রুত জল। আর জাতশিল্পী যখন পলকাটা হিরের মতো দ্যুতিময় অক্ষর আর তার বিন্যাসকে সেই জলের সামনে আনেন, তখনই পাঠকমনে সাত-রঙের উদয়। তার কোনও ব্যাখ্যা হয় না। ভালোলাগাতেই ভালোলাগার শেষকথা। আর সেই মাপকাঠিতেই ক্রমশ জিতে যেতে থাকেন ব্রতী মুখোপাধ্যায়। এই রোজকার খসখসে জীবনকে তিনি দেখেন একটু দূরত্ব থেকে। হাহাকার জাগে। কিন্তু তিনি হাউ হাউ কান্নায় বিশ্বাসী নন। ফলে দহন ঘনীভূত হয় অন্তর্দহনে, সময় গড়ালে তারই সংহত প্রকাশ ঐশ্বর্যে ঝলমল করে ওঠে। অণুগল্পের মিতায়তন পরিসরটিকে তিনি খুব ভালো কাজে লাগাতে পারেন মনের বিস্তার প্রসারী করে তোলার ক্ষেত্রে। লেখেন একটি লাইন, কখনও আবার মোক্ষম কথাটি লেখেনও না, শুধু পরিবেশ তৈরি করে শুধু অঙ্গুলিনির্দেশ করেন, আকাশের প্রতি। বাকিটা ব্যক্তিগত, পাঠকের প্রাপ্তি। কারও সঙ্গে কারও মেলে না। দু-মলাটের ভিতরের পৃথিবী তার খবরও পায় না।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%98/feed/ 0
আড়াল গ্রামের কথা http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%86%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%86%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/#respond Wed, 19 Jun 2019 11:54:20 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5259 মনের দরজাগুলো আবজে দিয়ে আমরা ক্রমাগত দিনগত পাপক্ষয়ের জীবন বেছে নিই। তারপর টানা বন্ধ রাখার অভ্যাসে একদিন সেগুলোকে খুলতেই ভয় পাই। আমাদের গা শিরশির করে, এই বুঝি ধরা পড়ে যাব! সুতরাং হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগানোর কোনও প্রশ্ন নেই। ঠিক এখান থেকেই খেলা শুরু করেন সিদ্ধার্থ দত্ত। তাঁর অণুগল্পে জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তের সাপ-লুডোয় তিনি আমাদের হাজির করান ওই বন্ধ দরজাগুলোর সামনে। তারপর এক ঝটকায় খুলে দেন সেটিকে। আলো আসে। হাওয়া খেলে। আর প্রায় প্রতিবারই শিউরে উঠি আমরা। ঠিক যেভাবে সঙ্গতি থাকা সত্ত্বেও স্রেফ চপ্পল কিনে সেটি কাগজে মুড়ে নিয়ে কেউ হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি ফেরার পথে অনুভব করেন তাঁর বাবাকে, শৈশবকে। আবার ছেলের হাত ধরে প্রথমবার প্লেনে চড়ে কোনও বৃদ্ধা যখন খুঁজে ফেরেন তাঁর মৃত স্বামীকে, কারণ মৃত মানুষরা উপরে যায় বলেই তিনি শুনেছেন, আর কতটা উপরে উঠলে তবে তাঁর দেখা মিলবে!– এই অপেক্ষার ভিতরেই আমরা আসলে ঢুকে পড়ি বিশ্বাসযোগ্য মিথ্যের পৃথিবীতে। যা আসলে গল্প হয়েও গল্প নয়। সিদ্ধার্থ দত্তের ঝোঁক আসলে সেদিকেই। গল্প বলার ছলে তিনি ওই জীবনের বন্ধ দরজাগুলোর সামনে আমাদের নিয়ে যান। অণুগল্প বলেই বেশি পরিসর নেন না। কিন্তু যজ্ঞভূমি ছোট হলেও হোমাগ্নির তেজে কোনও ঘাটতি হয় না। অনুগল্পের অনুশীলনে সে সত্যিটাই পরতে পরতে বুঝিয়েছেন লেখক। নিপাট সরল করে, সহজ জীবনের এইসব মুহূর্তেরা, যার সঙ্গে সিদ্ধার্থ পাঠকের পরিচয় করিয়ে দিতে চান, তা আসলে যেন বুকের আড়ালে থাকা গ্রামের বাসিন্দা। যে গ্রামে আমরা সচরাচর যাই না বা যেতে পারি না। সিদ্ধার্থর ‘আড়াল গ্রামের কথা’ এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সেতু হয়ে উঠেছে। যে সেতু ছুঁয়ে আমাদের মনে পড়ে যায়, দেখার অতীত আরও কিছু দেখা বাকি থেকে গিয়েছে। এখনও। সফল কাহিনিই জীবনের সেই অন্তর্দৃষ্টির খোঁজ দেয়। নাকি উলটোটা? সে বিচারের ভার না হয় পাঠকের উপরই থাকল।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%86%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/feed/ 0
লেটারবক্স http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8/#respond Sun, 12 May 2019 13:42:52 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5148 দেবাশিস সেনগুপ্ত গল্পের আকারে রোদ্দুর লেখেন– মন ভালো করা। তিনি কুয়াশাও আঁকেন– রাত্তিরে যে আলো-অন্ধকারে বসে পেঁচা শিকারের অপেক্ষা করে। মানুষের আলো আর অন্ধকারের মধ্যে যে ধূসর জগত, যার জন্যে মানুষ মানুষই, দেবতা নয়– দেবাশিস সেই মানবিক প্রবৃত্তিকে কুশলী শিল্পীর মতো আঁকেন। তাঁর গল্পে নির্মম ক্ষুধার উনুন যেমন নিঃশব্দে পুড়ে চলে, তেমনই হঠাৎ করেই দেখা দেন কোনও বনদেবী। বাস্তব আর পরাবাস্তবের সুন্দর মিশেলে স্পষ্ট হয়ে যায় লেখকের কলমের জোর।

দেবাশিস সেনগুপ্ত সেই ধরনের লেখক, যাঁদের পাণ্ডুলিপির অপেক্ষায় থাকেন প্রকাশক।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8/feed/ 0
অণুগল্প কম্বো http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%85%e0%a6%a3%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%85%e0%a6%a3%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b/#respond Mon, 07 May 2018 04:00:02 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=4693 অণুগল্প কম্বোতে রয়েছে তিনটে গল্প সংকলন। দুটি কিনলে একটি বিনামূল্যে।

স্বপ্নের ভিতর (দেবাশিস সেনগুপ্ত) এবং শাফুং (সুবর্ণা রায়) কিনলে স্টারডাস্ট (সরিৎ চট্টোপাধ্যায়) ফ্রি।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%85%e0%a6%a3%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b/feed/ 0
স্বপ্নের ভিতর http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0/#respond Mon, 19 Mar 2018 03:20:31 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=4517 হান্ডিটা রসুইতে নামিয়ে উঠোনে এসে দাঁড়াল নিয়ামত আলী। কপাল গড়িয়ে দু-ফোঁটা ঘাম মিশে গেল সাদা দাড়ির জঙ্গলে। সকাল দশটা বাজে, এখনই আগুনের হলকা বইছে শহরটা জুড়ে। অটোর জন্য দাঁড়াতে হল প্রায় বিশ মিনিট। আমিনাবাদ থেকে অটোওয়ালারা আজকাল আসতে চায় না এটুকু পথ, লোকসানের গল্প শোনায়। হুজুরের মুখে তো অন্য রাবড়ি রুচবে না! একশ বছর হয়ে গেল, এই হাভেলিতে রাবড়ি আসে আমিনাবাদ থেকে। সারাবছরের সমস্ত খরিদারিও হয় সেখান থেকে। বাহাত্তর বছর পার করে দিল নিয়ামত এসব নিয়ে।
– নিয়ামত আলী! দুসরি চা কি পেশ হবে না আজ? দোতলার বারান্দা থেকে হাঁক আসে তেজি গলায়।
উজিরী মঞ্জিল এখন শুনশান। তিনদিক ঘেরা হাভেলির দক্ষিণের চারটে ঘর বাদ দিলে বাকি সব বন্ধ হয়ে আছে। ইমতিয়াজ হোসেন খান নিজেকে নবাব-উজির ভাবেন না বটে, তবে পূর্বপুরুষের আদতগুলো ছাড়তেও পারেন না। একমাত্র ছেলের ব্যবসা মুম্বাই নগরীতে। বেগমসাহিবার ইন্তেকালের পর এই হাভেলিতে একা পড়ে আছেন ইমতিয়াজ, সঙ্গী নিয়ামতকে নিয়ে।
– হুজুর! দশ মিনিটে আনছি।
নিয়ামত এখনও তটস্থ হয়, এতকাল পরেও। রসুইয়ের নতুন নোকরানি রেশমা ফুট কাটে, যাও তোমার নবাব হাঁক দিয়েছে গো চাচা!
– আস্তে বল বেওকুফ মেয়ে! শুনতে পেলে নোকরি খতম হয়ে যাবে তোর!
শিউরে ওঠে নিয়ামত।

দেখেশুনে বেকুব বনে যায় রেশমা। জুম্মা জুম্মা সাতদিন হল কাজে ঢুকেছে এই উজিরকোঠিতে। দিনের বেলাতেও গা ছমছম করে। আব্বুর মুখে শোনা নবাবী লক্ষ্ণৌ যেন আটকে আছে এই বাড়িতে। চাচার কাছে শুনেছে কাল, কোন এক ইমদাদ হোসেন খান বানিয়েছিল এই হাভেলি, সেও প্রায় দুশ বছর আগে। নবাবের খাস উজির ছিল। তারপর ওয়াজেদ আলী শাহ নবাব হল। ফিরিঙ্গীরা তাকে খেদিয়ে নিয়ে গেল কলকাতা। ইমদাদ হোসেন যাননি সঙ্গে, এই হজরতগঞ্জেই রয়ে গেলেন। তারপর পাঁচপুরুষ ধরে এই হাভেলিতে। বলতে বলতে চোখটা চকচক করছিল নিয়ামত চাচার।
রোজ সকালে রাবড়ির হান্ডিটা দেখে জ্বলে ওঠে রেশমার চোখও। আব্বু যতদিন বেঁচে ছিল লাডলি রেশমার জন্য মাঝেমাঝেই আসত এই রাবড়ি। চিক্কন বাজারে কাজ করত আব্বু। স্কুল থেকে ফিরে সবজি রোটির সঙ্গে দু-চামচ পাতে বরাদ্দ হত তার। আশ মিটত না। আম্মি বোঝাত — বেটি, মিলেমিশে খেলে সোয়াদ বাড়ে!
এই হুজুরের মতো আব্বুও বলত, খেলে আমিনাবাদের রাবড়ি খাও, হজরতগঞ্জের কাবাব। নইলে খেও না!

দুম করে মরে গেল আব্বু, কিছুদিন পর স্কুল যাওয়াও বন্ধ হয়ে গেল। ভাইয়া ঢুকে গেল গোমতীনগরের চুড়ি ফ্যাক্টরিতে। বাড়িতে রাবড়ি আসাও বন্ধ হয়ে গেল। কাল চাচার চোখ বাঁচিয়ে দু-চামচ চেখে দেখেছে রেশমা, সেই সোয়াদ, সেই বচপন ফিরে এল যেন এক লহমায়। ভয় ছিল খুব, বুড়ো হুজুর যদি ধরে ফেলে!
ফাই ফরমাসের কাজ তার। এদের অবস্থা ভালো না। ছেলে যা সামান্য পাঠায় আর হাভেলির পেছনের বস্তির কয়েকঘর ভাড়া সম্বল। তন্দুরি রোটি, ডাল-সবজিটুকু বানিয়েই হাঁপিয়ে যায় চাচা। চান্দির থালায় ওটুকুই বেড়ে দেয় রেশমা, সঙ্গে বড় বাটিতে রাবড়িটুকু। আজও দু-চামচ মেরে দিয়েছে চাচার চোখ বাঁচিয়ে।
নিজের খাওয়া সেরে সবে উঠেছে, নেমে এল চাচা। এবার এই বুড়োকে খাইয়ে তবে ছুটি।
– লে বেটি, রাবড়ি খা আজ মন ভরে। বাটিটা এগিয়ে ধরে নিয়ামত। চমকে দু-পা পিছিয়ে আসে রেশমা।
– হুজুরসাব খাননি?
গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোচ্ছে না ভয়ে।
– হুজুরের তবিয়ত ঠিক নেই আজ। বললেন, নিয়ে যাও, নতুন বিটিয়াকে দাও। কাল থেকে তোমরাও নিও। আমিনাবাদের রাবড়ি! মিলেমিশে খেলে সোয়াদ বাড়ে।
মুখে না তুলেও টের পায় রেশমা, বচপন ফিরে আসছে আবার!

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%b0/feed/ 0
শাফুং http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%82/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%82/#respond Tue, 27 Feb 2018 16:23:44 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=4420 মুঙ্কিদিদি চলে যাচ্ছে। বাড়ি। দু-দিন ছিল মোটে।
পাঁচতলার ওপর থেকে নিচে দাঁড়ানো গাড়িটা দেখতে পাচ্ছে ঋজু, গ্রিলের ফাঁক দিয়ে।
বাবা আর মেসো ব্যাগ-ট্যাগ নিয়ে গেছে।
মা, মাসি এখনও বসার ঘরে। জরুরি কথা কিছু বলে নিচ্ছে।
মুঙ্কিদিদি একবার বারান্দায় আসছে, ঋজুকে জড়িয়ে আদর করছে, আবার ঘরে গিয়ে কিছু করে আসছে।
অনর্গল বকতে পারে মুঙ্কিদিদি। ঋজুর কী যে ভালো লাগে!
এই দু-দিন কত গল্প শুনিয়েছে! রূপকথার গল্প বেশি পছন্দ ঋজুর। যেসব গল্পে দুষ্টু লোকেরা শেষে খুব শাস্তি পায়, হারানো শিশু ফিরে পায় মা-র কোল, মরুভূমির দেশে মন্ত্রবলে বসন্ত এসে পড়ে — সেইসব গল্প মুঙ্কিদিদি এক নিশ্বাসে বলে যায়। ঋজু গোগ্রাসে গেলে।
এবার আবার সব চুপচাপ হয়ে যাবে। ঋজুর মন খারাপ করছে। কান্না পাচ্ছে।
কিচমিচ! কিচমিচ!
বারান্দার গ্রিলে একটা কমলা রঙের পাখি। ঋজু নাম জানে না। আগে দেখেও নি।
– মনের বোঝা সারায় যে জন, তেমন ওঝা নেই!
পাখিটা হুবহু মুঙ্কিদিদির গলায় গান গাইছে। দু-লাইন গেয়ে ঋজুর দিকে চেয়ে থমকে গেল।
– চোখের জলে মুক্তো হয়। মুক্তো থাকে সাগরের নিচে। তুমি তো আবার সাঁতার জানো না। তাই, কাঁদবেও না। বুঝলে?
পাখিটা ঘাড়ের রোঁয়া ফুলিয়েছে।
কিন্তু এ কী! একটা মস্ত বড় বাজপাখি প্রচণ্ড জোরে নেমে আসছে আকাশ থেকে এইদিকেই!
পাখিটা খেয়াল করছে না। কিছু বোঝার আগেই ছোঁ মেরে ওকে তুলে নিয়ে গেল বাজ।
ঋজু মনে মনে কাকুতি করল ভগবানের কাছে, মিনতি করল আল্লার কাছে। মা যেমন মাঝেমাঝে করে। পাখিটাকে বাঁচাও কেউ!
গোল বেধে গেছে আকাশে। সাদা আর কালো মেঘের মধ্যে ভীষণ মারপিট হচ্ছে। কালোমেঘের দল বাজটাকে লুকিয়ে নিতে চাইছে, সাদারা পাখিটাকে।
মেঘের ঘষায় বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। সেই আলোতে ঋজু স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে মেঘেদের অনেক ওপরে এক বিশাল রাজপ্রাসাদ। ঝুলবারান্দায় দাঁড়িয়ে ছোট্ট রাজকুমার। ঝুঁকে পড়ে ডাকছে পাখিকে, আয়! আয়!
কমলা পাখি আপ্রাণ লড়ে যাচ্ছে বাজের সঙ্গে। ধারালো নখে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাচ্ছে। রক্ত পড়ছে। হাওয়ায় উড়ছে পালক।
উপরের দিকে দেখছে কমলা পাখি। বাসায় ফিরতে চায় সে। রাজকুমারের কাছে নিশ্চিন্ত আশ্রয়ে।
মেঘেদের যুদ্ধ তুমুল চলছে। বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে বারবার।
এর মধ্যেই হঠাৎ করে বাজের পা থেকে ফসকে গেল কমলা পাখি। রাজকুমার আনন্দে চিৎকার করে উঠল।
কিন্তু পাখি উড়তে পারছে না! ডানা ভেঙে গেছে একদিকে। নিচের দিকে পড়ছে পাখি।
কাছে এগিয়ে আসছে লম্বা বাড়ি, গাছ, কংক্রিটের রাজপথ। এগিয়ে আসছে মৃত্যু।

না! ধরে ফেলেছে ঋজু! পাখি বেঁচে গেছে। ঋজুর দু-হাতের নরম তালুতে জীবন ফিরে পেয়েছে ছোট্ট মিষ্টি পাখিটা।

মুঙ্কির চিৎকারে দৌড়ে এসেছে, মা, মাসি। মেসো আর বাবা নিচ থেকে দেখতে পাচ্ছে, বারান্দার গ্রিল থেকে বেরিয়ে আছে দুটো কাঁপা কাঁপা হাত।
হুইলচেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে ঋজু। বিজয়ীর হাসি মুখে। হাতের মুঠোয় বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা।

===================

গল্পের নাম ‘কমলার গান’। কলমের নাম সুবর্ণা রায়।

সুবর্ণা রায় অণুগল্প লিখছেন বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল। এই বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে তাঁর দ্বিতীয় গল্প সংকলন ‘শাফুং’। সুমিত রায়ের অলংকরণ আর প্রচ্ছদে মোড়া বইটি সৃষ্টিসুখ-এর ক্যাটালগে অমূল্য সংযোজন।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%82/feed/ 0