====
ছড়ায় সঙ্গীতা, ছবিতে জয়ন্ত।
]]>
ভুজুং ভাজুং খুব খাওয়ালেন,
নিজের ঢাকই বাজান, ছিঃ!
ভেবেছিলেম কাব্যি লেখেন,
এখন দেখি খাজাঞ্চি।
নায়ক-ভিলেন কিচ্ছুটি নেই
যা আছে সব নগণ্য,
পদ্য লেখা মক্শো করুন
এ তো বেজায় জঘন্য।
আজ জনতা অনেক সজাগ,
যায় না এতে বশ করা –
রামকে নিয়ে ফাজলামি, আর
রবির সাথে মশকরা!
অরিজিন্যাল কোথায় দাদা?
সব তো একেকজন ডামি।
এগুলোকেই পদ্য বলেন,
ইয়ার্কি, না ভণ্ডামি?
এবার কানে দুলটা পরুন,
এক হাতে পরবেন চুড়ি।
এমন ছড়া ছড়িয়ে গেলেন
এতেই তো হাফ সেঞ্চুরি!
ফালতু কিছু গচ্চা গেল,
পয়সা নিলেন গ্যাঁট খুলে –
আবার যদি পাড়ায় দেখি
মারব কিন্তু ব্যাট তুলে।
হায় রে কপাল, পদ্য লিখে
পেলাম এমন গিফট-ই রে!
এখন আমি করবটা কী
পার করে এই ফিফটি রে?

======
হ য ব র ল থেকে প্রকাশিত হয়েছে দেবাশিস্ বসুর ‘টুপুর টাপুর রূপকথাপুর’। প্রচ্ছদ এঁকেছেন ওঙ্কারনাথ ভট্টাচার্য। ভেতরের পাতাগুলো ছবিতে ভরিয়ে দিয়েছেন বিজন কর্মকার।
]]>