Warning: The magic method Vc_Manager::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php on line 203

Warning: Undefined array key "msg" in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/Woocommerce302_PumCP/index.php on line 24

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\RestApi\Utilities\SingletonTrait::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-rest-api/src/Utilities/SingletonTrait.php on line 48

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\Admin\FeaturePlugin::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-admin/src/FeaturePlugin.php on line 312

Warning: Constant WP_MEMORY_LIMIT already defined in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-config.php on line 91

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php:203) in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
জীবনী – সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp নতুনদের জন্যে নতুন বই Sat, 06 Jan 2024 07:27:31 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.7.15 http://sristisukh.com/ss_wp/wp-content/uploads/2017/06/cropped-icon_ss-32x32.png জীবনী – সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp 32 32 সঙ্গে কালিকা http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/#respond Mon, 06 May 2019 16:43:03 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5139 কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য যে নতুন করে আর কোনও গান গাইবেন না, বাঙালি অন্তত এখনও তা বিশ্বাস করে না। না করারই কথা। কারণ তিনি নিজেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরই সহনাগরিকের অনুভবে, মননে, নতুন করে কিছু ভাবা ও গড়ে তোলার সম্ভাবনায়। সঙ্গীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের ব্যাপ্ত কর্মকাণ্ড নিশ্চিতই ভবিষ্যতে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠবে। সে কালিকাপ্রসাদ সকলেরই। কিন্তু কয়েকজনের কাছে রয়ে আছেন আর একজন ব্যক্তিগত কালিকাপ্রসাদ। যিনি কারও বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু, স্বামী, সহকর্মী কিংবা প্রিয় দাদা। চাকরিসূত্রে যিনি হয়তো কারও ‘বস’। আবার মিউজিক ম্যানেজারের ভূমিকা নিয়ে যিনি গড়ে দিচ্ছেন এফ এম-এর গান-কথা সংস্কৃতির স্বতন্ত্র ঘরানা। কোথাও আড্ডা জমেছে চায়ের দোকানে। কোথাও আবার অফিসেরই কাজের ফাঁকে। ক্লাসরুম থেকে মিউজিক রুম পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা সেই যে অন্য কালিকাপ্রসাদ, তিনি থেকে গিয়েছেন জনা কয়েকের স্মৃতিতেই। সেই স্মৃতিরই কোলাজ ‘সঙ্গে কালিকা’। বন্ধু হয়ে যিনি নিরুচ্চারে তাঁর দর্শনে অনুপ্রাণিত করেছেন কয়েকজনকে, পরিবারের বাইরেও তৈরি করে নিয়েছেন তাঁর ‘এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলি’, তাঁরা বিশ্বাস করেন ৭ মার্চ সত্যি নয়। কালিকাপ্রসাদ আছেন সঙ্গে। প্রসাদ কিংবা কালিকা বা প্রসাদদা হয়ে। কালিকাপ্রসাদেরও সঙ্গে আছেন তাঁরা। নানা অনুষঙ্গে কালিকাপ্রসাদের সঙ্গে সে আড্ডা চলছে নিরন্তর। স্মৃতির সঙ্গে সে আড্ডারই সংকলন ‘সঙ্গে কালিকা’।

কলম ধরেছেন, ঋতচেতা গোস্বামী, লোপামুদ্রা মিত্র, রাজীব দাস, গৌতম ঘোষাল, সুদীপ্ত চক্রবর্তী, রাজা দাস, রায়ান মজুমদার, শোভন তরফদার, শুভজিৎ রায়, পূর্বাশা বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত চট্টোপাধ্যায়, কীর্তিশ তালুকদার, সঞ্জয় সেন, সুগত দাশ এবং সুতীর্থ দাশ।

প্রচ্ছদঃ রোহণ কুদ্দুস

নামাঙ্কণঃ উর্বা চৌধুরী

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/feed/ 0
ছোটদের মহানাবী http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%80/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%80/#respond Sat, 26 Aug 2017 12:51:02 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=3879 আবদুল আযীয আল আমান-এর মরমী বর্ণনায় হযরত মহম্মদ (সঃ)-এর জীবনকাহিনি।]]> আমি যখন ক্লাস থ্রি বা ফোরে পড়ি, তখন জন্মদিনে আমায় কেউ একটা বই উপহার দেন –– আবদুল আযীয আল আমানের লেখা ‘ছোটদের মহানবী’। ছোটদের মতো করে লেখা হজরত মহম্মদ (সঃ)-এর জীবনীধর্মী একটা বই। বইটা পড়ার আগে আমার ধারণাই ছিল না মহানবী আসলে কে, কেউ আমায় এর আগে বলেও দেননি। কিন্তু লেখক বইটা এতটাই দরদ দিয়ে মায়াবী ভাষায় লিখেছিলেন, আমি প্রথমবার পড়ার পর প্রায়ই বইটার নানা অংশ প্রায়ই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়তাম।

তৎকালীন আরবে কোরায়েশ বংশের এক শিশুর জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং প্রৌঢ়ত্বে উপনীত হয়ে তাঁর নবুয়ত প্রাপ্তির ঘটনা এত সহজে আর কেউ কোনওদিনও বুঝিয়ে বলতে পারবেন বলে মনে হয় না। নবী হিসাবে আত্মপ্রকাশের আগেই কৈশোর-যৌবনে সেই মানুষটির সততা, নিয়মনিষ্ঠা এবং সারল্য সবার কাছে তাঁকে শ্রদ্ধার পাত্র করে তুলেছিল। সত্যভাষণের জন্যে তাঁকে বলা হত ‘আল আমিন’। চল্লিশ বছর বয়সে পৌঁছে নবী হিসাবে তাঁর একেশ্বরবাদ প্রচারের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল পৌত্তলিক ধর্মালম্বীদের সঙ্গে সংঘাত। অত্যাচার শুরু হল তাঁর ওপর। বাদ গেলেন না তাঁর অনুগামীরাও। প্রাণ বাঁচাতে এক সময় জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে তিনি পাড়ি দিলেন মদীনার পথে। মদীনার মুসলমানরা এরপর মক্কার কোরায়েশদের সঙ্গে প্রাণরক্ষার তাগিদে একাধিক লড়াইয়ে জড়িয়েছেন। রক্ত ঝরেছে দুপক্ষেই। কিন্তু এক সময় তাঁরই জয় হল। বিজয়ী হজরত মহম্মদ (সঃ) ফিরে এলেন মক্কায়।

এবং আমার কাছে বইটির সবথেকে আকর্ষণীয় জায়গা কিন্তু এটাই ছিল। যারা তাঁর ওপর এক সময় অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিল, যুদ্ধক্ষেত্রে তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়ে অন্যায়ভাবে হত্যা করেছিল তাঁর একাধিক অন্তরঙ্গ বন্ধুকে –– তাঁদের সবাইকে তিনি ক্ষমা করে দিলেন। এমনকী কিছু মানুষ নিজেদের ক্ষমার অযোগ্য ভেবে লুকিয়ে ছিলেন, তাঁদের তিনি বুকে টেনে নিলেন। নিজের জীবনকে দৃষ্টান্ত হিসাবে সামনে রেখে তিনি ইসলামকে শান্তির ধর্ম হিসাবেই প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি তাঁর জীবনীর নানা পাঠ, নানা বিশ্লেষণ পড়েছি, অনেক সমালোচনা দেখেছি, বিরূপ মন্তব্য শুনেছি। কিন্তু আমার কাছে হজরত মহম্মদ (সঃ) মানুষ হিসাবে আবদুল আযীয আল আমানের বর্ণনার সেই মহানবী, যিনি নির্বিচারে সমস্ত শত্রুকে ক্ষমা করে দেন। যাঁর কাছে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই ইসলামের মূলকথা।

ব্যক্তিগতভাবে আমার অন্তত মনে হয় না, তাঁকে কোনও কার্টুন চরিত্র হিসাবে আঁকলে বা তাঁকে ব্যঙ্গ-মজা করে কোনও ছড়া-কবিতা-গল্প লিখলে হজরত মহম্মদ (সঃ) নিজে বিচলিত হতেন। তাঁর জীবনচর্যা অন্তত সেই কথাই বলে। কিন্তু যারা ইসলাম ধর্মের স্বঘোষিত অভিভাবক, সমস্যা তাদের নিয়েই। তাদের বিশ্বাস নিয়ে না-পসন্দ যে কোনও মতই যদি অস্ত্রের আঘাতে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়; তাহলে সবথেকে বেশি অসম্মান করা হয় সেই মানুষটাকে, যিনি সারাজীবন মানুষকে ক্ষমা আর শান্তির কথা শুনিয়ে এসেছেন। যে মানুষটা নিজের চারিত্রিক দৃঢ়তায় তাঁর তৎকালীন শত্রুদের থেকেও সম্মান আদায় করে নিয়েছিলেন, তাঁর স্মৃতির প্রতি এর থেকে বড় অবিচার আর হয় না। ধর্মরক্ষার জন্যে কথায় কথায় খঞ্জর নিয়ে ঝাঁপিয়ে না পড়ে, আপামর মুসলমান জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষাবিস্তারের চেষ্টাটাই বোধ হয় হজরত মহম্মদ (সঃ)-এর প্রতি সবথেকে বড় শ্রদ্ধার্ঘ্য হতে পারত। আশা করি তাঁর সেই বিখ্যাত উক্তিটি (বিদ্যার্জনের জন্যে যদি সুদূর চিনেও যেতে হয়, যাও।) ধর্মনির্বিশেষে মানুষ মনে রেখেছেন।

আমি জানি, যারা ব্লগার খুন করে, তারা কোনওদিনই আমার এ ব্লগ পোস্ট পড়বে না। এও জানি, যারা এই খুনিদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়, তারা আমার এই পোস্ট পড়েও নিজেদের স্বার্থের ওপরে মানবিকতাকে স্থান দেবে না। কিন্তু যে সরল বিশ্বাসে আমি ‘ছোটদের মহানবী’ এখনও ধারণ করে আছি; সেই তীব্র বিশ্বাসেই জানি, যে কোনও অত্যাচারীই যেমন দ্রুতগতিতে নিজের ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়, এদের জন্যেও একই পরিণাম অপেক্ষা করে আছে।

আসুন নজরুলের সেই কবিতাটা আরও একবার পড়ি।

তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ
ক্ষমা করো হজরত।
ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমার দেখানো পথ
ক্ষমা করো হজরত।

বিলাস বিভব দলিয়াছ পায় ধুলিসম তুমি প্রভু
তুমি চাহ নাই আমরা হইব বাদশা নওয়াব কভু।
এই ধরণীর ধন সম্ভার, সকলের তাহে সম অধিকার।
তুমি বলেছিলে, ধরণীতে সবে সমান পুত্রবত।
ক্ষমা করো হজরত।

তোমার ধর্মে অবিশ্বাসীরে তুমি ঘৃণা নাহি করে
আপনি তাদের করিয়াছ সেবা ঠাঁই দিয়ে নিজ ঘরে।
ভিন্-ধর্মীর পূজা মন্দির, ভাঙতে আদেশ দাওনি, হে বীর,
আমরা আজিকে সহ্য করিতে পারিনাকো পর-মত।
ক্ষমা করো হজরত।

তুমি চাহ নাই ধর্মের নামে গ্লানিকর হানাহানি,
তলোয়ার তুমি দাও নাই হাতে, দিয়াছ অমর বানী,
মোরা ভুলে গিয়ে তব উদারতা, সার করিয়াছি ধর্মান্ধতা,
বেহেশত হতে ঝরে নাকো আর তাই তব রহমত।
ক্ষমা করো হজরত।

— রোহণ কুদ্দুস

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%9b%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%80/feed/ 0
তোমার পরশ আসে http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%b6-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%87/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%b6-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%87/#respond Sat, 12 Aug 2017 18:37:10 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=3699 তোমার পরশ আসে'। বইটির নির্বাচিত অংশ পাওয়া যাবে এখানে।]]> প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সুকুমার রায়ের বন্ধু ছিলেন। একদিন বিকেলবেলা সুকুমার তাঁকে বলেন, “আমার সাথে এক জায়গায় যাবে?” সুনীতিকুমার কোথায় জানতে চাওয়ায় সুকুমার বলেন তাঁর এক পরিচিত ভদ্রলোক গত হয়েছেন, সেই ভদ্রলোকের শোকসভা হবে ব্রাহ্মসমাজ হলে। সুকুমার যাবেন, যদি সুনীতিকুমারও সঙ্গে যান। সুনীতিকুমার জানালেন, ইতিপূর্বে তিনি সুকুমারের সঙ্গে কিছু জায়গায় গিয়েছেন এবং তাঁর সেই পূর্ব অভিজ্ঞতা মোটেই সুখকর ছিল না। সুকুমার তাঁকে আশ্বস্ত করেন, তিনি এমন কিছু করবেন না যাতে সুনীতিকুমার বিপদে পড়েন। দুজনে ব্রাহ্মসমাজ হলে গিয়ে উপস্থিত হন।

সেখানে সবাই সেই প্রয়াত মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। কেউ কেউ ব্রাহ্মসঙ্গীত পরিবেশন করেন। একেবারে শেষে সুকুমার বলেন যে, তিনি একটি গান গাইতে ইচ্ছুক। সবাই একমত হয়ে তাঁকে গান করার অনুমতি দিলে তিনি হারমনিয়াম সহযোগে গাইতে শুরু করেন ‘কাঁদো রে মন কাঁদো রে’। এই একটি লাইন তিনি অন্তত কুড়ি-পঁচিশবার বিভিন্নভাবে গাইলেন। সকল শ্রোতা আপ্লুত হয়ে পড়েছেন, এমন সময় তিনি দ্বিতীয় লাইনটি গান। সেটি ছিল, ‘আমার মনবাগানের সখের তরুর ফল খেয়ে যায় বাঁদরে’।
সুনীতিকুমার বলেছিলেন, তারপর যা হয়েছিল, তা আর না বলাই ভালো। তবে এরপরে শত অনুরোধেও সুনীতিকুমার আর সুকুমারের সঙ্গে কোথাও যাননি।

=========

ওপরের অংশটি বিমোচন ভট্টাচার্য-র স্মৃতিকথামূলক বই ‘তোমার পরশ আসে‘ থেকে নেওয়া। বইটির নির্বাচিত অংশ পাওয়া যাবে এখানে।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%b6-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%87/feed/ 0
নাট্যে উপেক্ষিত http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4/#respond Sat, 12 Aug 2017 10:02:36 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=3679 নির্বাচিত অংশ পড়া যাবে এখানে।]]> চেন্নাই বইমেলার প্রথম দিন। স্বাভাবিকভাবেই পাঠক বেশী ক্রেতা কম। তাও চাহিদা বেশী সুনীল-সঞ্জীব-শীর্ষেন্দু-সমরেশ দের। একটু ফুরসৎ পেয়ে এক ষাটোর্দ্ধ ভদ্রলোক এলেন সামনে। এদিক ওদিক নজর চালিয়ে, কিছুটা হতাশ গলাতেই বললেন, “নাটকের কোনো বই নেই?”
নাটকের বই! এই উইকিপিডিয়া-গুগল প্রজন্ম কি আদৌ জানে, যে নাটকের বই হয়! চটি বইতে সিরাজদ্দৌল্লা, চন্দ্রগুপ্ত ইত্যাদি ঐতিহাসিক নাটক অথবা গরুর গাড়ির হেডলাইট-এর মতো কৌতুকি, সোনাইদিঘি-র মতো সামাজিক যাত্রাপালা… তার পাতলা কাগজে ছোট ছোট হরফে কীভাবে জড়িয়ে আছে বাঙ্গালিদের বিনোদন ও সংস্কৃতির এক অধ্যায়… এর খোঁজ আর কেউ রাখবে কি কোনোদিন!
নেহাত ভদ্রতার খাতিরেই বললাম, “নাট্যকার শ্রী বিধায়ক ভট্টাচার্যের ওপর লেখা একটা বই আছে। তাতে তাঁর লেখা একটি নাটকও পাবেন, আর পাবেন তাঁর সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য। যাঁরা নিজেদের গোটা জীবনটাই উৎসর্গ করেছেন নাটককে, তাঁদের জীবনীটাই তো একটা নাটক হয়ে যায়, তাই না?”
ভদ্রলোক একদৃষ্টে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর বললেন, “খাঁটি কথা বলেছেন। এটা আমারও বিশ্বাস। কই, দেখি বইটা!”
ভরসা পেয়ে হাতে তুলে দিলাম শ্রী রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের লেখা “নাট্যে উপেক্ষিত” বইটি। এগিয়ে দিলাম একটা চেয়ার। অল্প হেসে চেয়ারে বসে বইটার একেবারে ভূমিকা থেকেই পড়তে আরম্ভ করলেন। আর, মুহুর্তে ডুবে গেলেন।
শ্রী রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের লেখার সঙ্গে যাঁরা পরিচিত, তাঁরা সকলেই ওনার বৈঠকী লেখনশৈলীর বিশেষ ভক্ত। এতটুকুও পাণ্ডিত্য না জাহির করে তিনি অনেক তথ্য আকর্ষণীয় ভঙ্গীতে উপস্থাপন করেন, প্রাঞ্জল করে বুঝিয়ে দেন গূঢ় তত্ত্ব। ওনার “দোতলা বাস, এবং” ও “চাপড়ঘন্ট” পড়া থাকলে বুঝবেন যে কতো বৈচিত্র ওনার কলমে। এখানে উনি অনেকটা স্মৃতিচারণের ভঙ্গীতে নাট্যকার, সাহিত্যিক ও সঙ্গীতজ্ঞ শ্রী বগলারঞ্জন (কবিগুরু পরে যাঁর নাম দিয়েছিলেন বিধায়ক) ভট্টাচার্য-র জীবনের নানা অধ্যায় তুলে ধরেছেন। কিন্তু, হঠাত নাটক কেন!
লেখকের ভাষাতেই বলি, “কথায় আছে, পুজোর আচারবিধি বা মন্ত্র না জানলেও ভক্তি ভরে দেবতার পায়ে ফুল রাখলেও সেই পুজো সিদ্ধ হয়। সেই ভরসাতেই লিখতে বসা আমার কৈশোর বয়সের এক অন্য ভুবনের স্রষ্টাকে।”
একেবারে পুজোর মতোই আচমন, পুষ্পশুদ্ধি, আসনশুদ্ধি, সংকল্প, প্রধানপূজা, এইভাবেই এগিয়েছেন তিনি। বইটি লেখার ইতিহাস, তথ্যসংগ্রহের ভূমিকা থেকে আরম্ভ করে চলে এসেছেন নাট্যকারের জীবনীতে। কোনো ব্যক্তিগত মন্তব্য বা টিপ্পনি নয়, গল্পকারের মতো বলেছেন বিধায়কবাবুর জীবনের নানা ওঠাপড়া, ঘাত-প্রতিঘাতের গল্প। বিভিন্ন তথ্যসূত্র উল্লেখ করেছেন, সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করেছে কিছু বিরল ছবি। গল্পের ছলে প্রায় বিস্মৃত একটা যুগকেই যেন তুলে ধরেছেন তিনি।
বইটির দ্বিতীয় ভাগে “অচেনা বিধায়ক” অংশে রয়েছে বিধায়কবাবুর লেখা একটি রহস্য কাহিনী, দুটি প্রবন্ধ এবং একটি সম্পূর্ণ নাটকের সংকলন। সব মিলিয়ে সত্যিই এটি একটি…
“…সংগ্রহ করে রাখবার মতো বই!” মনের কথাটা কেড়ে নিয়ে বললেন ভদ্রলোক। “অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে! চেন্নাইতে বসে এমন একটি বই হাতে তুলে দিলেন…!”
বইটির নামে বিল প্রস্তুত করতে করতে ভাবছিলাম, এই ধন্যবাদটা আসলে কার প্রাপ্য, রামকৃষ্ণবাবুর, বিধায়কবাবুর, সৃষ্টিসুখের, নাকি নাট্যপ্রিয়, সাহিত্যপ্রেমী সমস্ত বাঙ্গালিরই!

— প্রকল্প ভট্টাচার্য

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4/feed/ 0
মীর এই পর্যন্ত http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4/#respond Thu, 10 Aug 2017 05:38:44 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=3659 নির্বাচিত অংশ পড়া যাবে এখানে।]]> রাত থাকতে থাকতে ঘুম থেকে উঠে শারীরচর্চা, তারপর স্টুডিওতে গিয়ে ঢোকা। রেডিও জকি হিসাবে টানা আড়াই-তিন ঘণ্টা লাগাতার বকবক করার পরে গিয়ে ঢোকা মীরাক্কেল-এর সেট-এ। সে শুটিং চলে প্রায় রাত এগারোটা পর্যন্ত। এর মধ্যেই আছে আর পাঁচটা বাবার মতো মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে আসা, বাড়ির নানা দায়িত্ব সামলানো। আছে তাঁর নিজস্ব ব্যান্ড ব্যান্ডেজ-এর জন্যে রিহার্সাল, তার শো। ব্যক্তি মীরের প্রতিদিনের পরিশ্রম, নিজের কাজের প্রতি নিষ্ঠা, অগণিত মানুষের পাশে অসময়ে দাঁড়ানোর অভ্যাস এবং আজকের সাফল্যের পেছনে দীর্ঘদিনের আপোষহীন লড়াই — এগুলো অনায়াস ভঙ্গিতে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন শতরূপা বোস রায়। মীর সম্পর্কে তাঁর সমসাময়িক বিভিন্ন মানুষের পর্যালোচনা এই বইয়ে অন্য একটা মাত্রা যোগ করেছে।

প্রচ্ছদশিল্পীঃ পার্থপ্রতিম দাস। প্রচ্ছদের আলোকচিত্রঃ রানা বসু ঠাকুর।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4/feed/ 0