Warning: The magic method Vc_Manager::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php on line 203

Warning: Undefined array key "msg" in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/Woocommerce302_PumCP/index.php on line 24

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\RestApi\Utilities\SingletonTrait::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-rest-api/src/Utilities/SingletonTrait.php on line 48

Warning: The magic method Automattic\WooCommerce\Admin\FeaturePlugin::__wakeup() must have public visibility in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/woocommerce/packages/woocommerce-admin/src/FeaturePlugin.php on line 312

Warning: Constant WP_MEMORY_LIMIT already defined in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-config.php on line 91

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-content/plugins/js_composer/include/classes/core/class-vc-manager.php:203) in /home/sristisukh29/public_html/ss_wp/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
পপুলার সায়েন্স – সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp নতুনদের জন্যে নতুন বই Wed, 14 Apr 2021 22:30:36 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.7.15 http://sristisukh.com/ss_wp/wp-content/uploads/2017/06/cropped-icon_ss-32x32.png পপুলার সায়েন্স – সৃষ্টিসুখ http://sristisukh.com/ss_wp 32 32 বিজ্ঞানচর্চার সেকাল একাল http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2/#respond Thu, 23 Jul 2020 16:34:01 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=6173 “…থিয়োরি অফ রিলেটিভিটির কথাই ধরি। এডিংটনকে একবার লুডভিগ সিলভারস্টাইন প্রশ্ন করেছিলেন, ‘বিশ্বে নাকি মাত্র তিনজন এটা বোঝেন?’ অনেক ভেবে এডিংটন বললেন, ‘আসলে আমি ভাবছি তৃতীয় জনটা কে?’ আবার ধরুন ম্যাক্সওয়েলের থিয়োরি। পড়তে গেলে শুরুতেই কাপা, ল্যামডা, আলফায় সজ্জিত হয়ে গোদা একটা সমীকরণ পথ আটকে দাঁড়ায়। সে ভেদ করে ভিতরে ঢোকে কার সাধ্যি! হকিং যখন ব্রিফ হিস্টরি অফ টাইম লিখেছিলেন, শুরুতে নাকি সব অঙ্ক আর সমীকরণ দিয়ে ঠেসে দিয়েছিলেন। প্রথম খসড়া দেখে তাঁর প্রকাশকের চোখ কপালে। ‘করেছেন কী স্যার? এ বই লোকে পাতা উলটেই আবার রেখে দেবে। সমীকরণ কমান।’ কমাতে কমাতে এমন দশা হল, ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়। শেষে নাকি প্রকাশকের আপত্তি সত্ত্বেও হকিং একটা সমীকরণ রেখেই দিয়েছিলেন। বলেছিলেন এটা না দিলে বই লেখার মানেই হয় না। গোটা বই এই একটা সমীকরণে লুকানো। কোন সমীকরণ? E= mc2
পেশায় শিক্ষক অর্পণ ঠিক ওই কাজটাই করেছেন। বিখ্যাত বা অখ্যাত বিজ্ঞানীদের কথা, অজানা গল্প, অচেনা দিক তুলে ধরেছেন দারুণভাবে। আর্যভট্ট, আল খোয়ারিজামির পাশাপাশিই আছেন মারি কুরি, লিজা মেইটনার, মারিও মিশেলরা। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের সঙ্গে দিব্যি জায়গাভাগ করে নিয়েছেন মেঘনাদ সাহা। আছে অদ্ভুত কণা নিউট্রিনো, বোর-আইনস্টাইন বিতর্ক কিংবা বিগ ব্যাং-এর গল্প। জানি, আমাদের রোজকার ডাল-ভাত, ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপের জীবন আর পেঁয়াজের দামে এসবের কোনও গুরুত্ব নেই, তবু এই লেখাগুলো আপনার মনে অদ্ভুত এক জিজ্ঞাসার জন্ম দেবে। আর হয়তো আপনি প্রাণিত হবেন আরও একটু, আরও একটু জানার জন্য।”

অর্পণ পালের বিজ্ঞানচর্চার সেকাল একাল-এর ভূমিকাতে বইটা সম্পর্কে বিজ্ঞানী এবং লেখক কৌশিক মজুমদার এমনটাই বলেছেন।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/ 0
বিজ্ঞান অন্বেষণ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3/#respond Fri, 21 Jun 2019 08:59:50 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=5354 অয়ন মুখোপাধ্যায়ের পপুলার সায়েন্স জঁরের বই।

]]>
জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে পৃথিবীতে মানুষের স্থান সংকুলান ক্রমশ দুরূহ হয়ে পড়ছে। কিন্তু মহাকাশ, যে অসীম শূন্যস্থান সেখানেও কি স্থানের অভাব ঘটতে পারে? স্পেস জাংক কি এতটাই বেড়ে গিয়েছে? আবার ধরুন, এই ভ্রমণপিপাসু মানুষ কি একদিন মহাকাশেও বেড়াতে যেতে পারে? মানে, টুক করে ঘুরে আসি বলে তল্পিতল্পা বেঁধে মহাকাশে, এমনটা কি বেশিমাত্রায় হওয়া সম্ভব? নাকি মানুষকে হটিয়ে দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স আসলে গ্রাস করে নেবে এই সাধের পৃথিবীকে? রোবট কি সত্যিই আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে আসছে? মানুষেরই হাতেই তৈরি হচ্ছে মানুষের নিধনকর্তা? প্রশ্নগুলো বাড়ে, বাড়তে থাকে। বিজ্ঞান যত এগোয়, প্রযুক্তি যত সাফল্য লাভ করে, তত এই প্রশ্নমালা বেড়ে চলে। কারণ এই উত্তরের মধ্যেই নিহিত আছে মানুষের সভ্যতার সুস্থিতি। অর্থাৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে, মানুষের সভ্যতা কীভাবে নতুন পথে যাত্রা করবে, কীভাবে ভারসাম্য খুঁজে নেবে, তার উত্তর খুঁজে নিতে হবে বিজ্ঞান থেকেই। তার জন্য গোড়াতেই চাই বিজ্ঞানচেতনা। বিজ্ঞানমনস্ক মানুষই বিজ্ঞানের অভিশাপগুলো কাটিয়ে উঠতে পারে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মন্দ দিকগুলো অতিক্রম করতে পারে। যা আখেরে নিশ্চিত করে মানব সভ্যতার অস্তিত্ব। ঠিক সেই লক্ষ্যেই বিজ্ঞানের সমসাময়িক বেশ কিছু বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করেছেন অয়ন মুখোপাধ্যায়। প্রাঞ্জল ভাষায় তিনি বিজ্ঞানের নানা দিক, এই মুহূর্তে সভ্যতার সংকট ও উত্তরণের সম্ভাবনাগুলিও ব্যাখ্যা করেছেন। বলা বাহুল্য, পপুলার সায়েন্সের বাংলা বই সংখ্যায় কম। কিন্তু শিশু-কিশোরদের মধ্য তো বটেই, বড়দের মধ্যেও এই ধরনের বইয়ের চাহিদা দেখা যায়। যদি খটকা লাগা প্রশ্নগুলির উত্তর সহজ সরল ভাষায় পাওয়া যায় তবে মন্দ কী! সেই সাধ মেটাতেই এবার সৃষ্টিসুখ আনছে অয়নের পপুলার সায়েন্স জঁরের বই ‘বিজ্ঞান অন্বেষণ’। সন্দেহ নেই এ বই সমস্ত অভিভাবকরাই তাঁদের বাড়ির ছোটদের হাতে তুলে দিতে চাইবেন। এমনকী নিজেরাও পাতা ওলটানো থেকে বিরত থাকবেন না।

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3/feed/ 0
দিলীপ রায়চৌধুরী রচনা সমগ্র http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%aa-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%aa-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae/#respond Mon, 14 Aug 2017 16:31:43 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=3764 লেখাগুলো শেষ করে কেমন যেন ঝিম ধরে গেছিল। হিদারামগলির মতো আমিও যেন শরতের আকাশ আর বাতাসে এক অনন্ত ঐশ্বর্যের সন্ধান পেয়ে ভেবেছিলাম, বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের চেহারাটা একদম অন্য রকম। কিন্তু বইটা শেষ হতেই মনে হল, নাঃ, উঁচু-উঁচু বাড়ির ছায়ায় একফালি হয়ে পড়ে থাকা, আবর্জনা আর ড্যাম্পে হতশ্রী গলিটাই বাস্তব, যেখানে সূর্যের দেখা পেতে না পেতেই সে কোথায় গায়েব হয়ে যায়। এই লেখাগুলোর বাইরেও থেকে গেছে বারোয়ারি উপন্যাস “মহাকাশযাত্রী বাঙ্গালি”-র একটি অধ্যায়, যা ‘কল্পবিশ্ব’ ওয়েবজিনের প্রথম বর্ষ চতুর্থ সংখ্যায় পুনঃপ্রকাশিত হয়েছিল, এবং ‘বেতার জগৎ’-এ প্রকাশিত অবিস্মরণীয় বারোয়ারি (আদতে চারজন লেখক: প্রেমেন্দ্র মিত্র, সত্যজিৎ রায়, দিলীপ রায়চৌধুরী, এবং অদ্রীশ বর্ধন-এর লেখা) উপন্যাসের একটি অংশ। পরবর্তী সংকলনে এগুলো যুক্ত হবে, এমনটাই আশা করি।

দিলীপ রায়চৌধুরী মাত্র ৩৮ বছর আমাদের মধ্যে ছিলেন। যদি এটা ৩৮ না হয়ে ৮৮ হত, তাহলে আমরা কি লাভবান হতাম? নিঃসন্দেহে হতাম, কারণ তাঁর মতো এমন স্বচ্ছ বিজ্ঞানচেতনার অধিকারী এক সুলেখক কলম চালিয়ে গেলে বাংলায় বিজ্ঞানবিষয়ক সাহিত্য (পপুলার সায়েন্স) এবং কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য দুই-ই যে সাবালকত্ব পেত, এবিষয়ে আমি নিশ্চিত। আবার মুজতবা আলির কথাটাও মনে পড়ে। তিনি বলেছিলেন, তাজমহল যদি আরো অনেক বড়ো হত, তাহলে তার সৌন্দর্যের বদলে বিশালত্ব দেখেই লোকে বাকরুদ্ধ হত। বাংলা কল্পবিজ্ঞানের মরুভূমিতে মেঘের স্বপন দেখে বাসা যাঁরা বেঁধেছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই বুড়ো হয়েছেন, অনেকে দড়কচা মেরেছেন (সত্যভাষণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী), বড়ো হয়েছেন খুব-খুব কম লেখক। কিন্তু দিলীপ রায়চৌধুরী, এই স্বল্প পরিমাণ রচনা দিয়েই, রয়ে গেছেন ও থাকবেন চিরতরুণ, হাস্যোজ্জ্বল, সপ্রাণ।

— ঋজু গাঙ্গুলি (Abasar.net)

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%aa-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae/feed/ 0
দুই ভুবনের পারে http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/ http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/#comments Sun, 13 Aug 2017 16:26:28 +0000 http://sristisukh.com/ss_wp/?post_type=product&p=3744 শিল্পকলা আর বিজ্ঞান — এই দুই ধারার সাংস্কৃতিক ভুবনের বৃত্তগুলি পরস্পর যেখানে মেলে, সেই প্রতিচ্ছেদ অংশে ফুটে ওঠে এক নতুন মিলনক্ষেত্র। এই বইয়ের লেখাগুলিতে মেলবন্ধনের সেই নতুন ভুবনে দৃষ্টি ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। বইয়ে অন্তর্ভুক্ত লেখাগুলির মধ্যে রয়েছে কয়েকজন সৃষ্টিশীল প্রতিভাধর মনীষার বর্ণময় জীবনের নানান কথা।
বিজ্ঞানচর্চা যে একটি রোমাঞ্চকর ও আনন্দময় অভিযান, তা এইসব লেখায় অন্তর্ভুক্ত কৃতবিদ্য বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান থেকে আমরা বুঝতে পারব। অনেকেই ভাবেন যে, বিশ্ববন্দিত বিজ্ঞানসাধকদের জীবন বুঝি নেহাতই শুষ্ক আর বর্ণহীন। আসলে বিজ্ঞান গবেষণার বাইরেও যে তাঁদের অন্য আরও জগৎ থাকে, সে কথা অনেকক্ষেত্রেই আমাদের অজানা থাকে, তাই এমন ধারণা হয়ে থাকে।

বেশ কয়েকজন মেধাবী বিজ্ঞানীর যাপিত জীবনের অন্দরমহলের নানান রোমাঞ্চকর কাহিনির মণিমুক্তোর খোঁজ এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। যেখানে মিশে আছে তাঁদের স্বপ্ন, কল্পনা, প্রেম, ভালোবাসা কখনও বা বিচ্ছেদ, বঞ্চনা কিংবা বেদনার কথা। তারই পাশাপাশি কখনও সেখানে তাঁদের সামাজিক দায়বদ্ধতা, কিংবা রাগ, অভিমান, দ্বন্দ্ব আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার নানান আবহ ফুটে উঠেছে। আছে অনেক মহত্তম আবিষ্কারের নেপথ্যকাহিনি। সৃষ্টিশীল জীবনের নানান চিত্তাকর্ষক কাহিনির সঙ্গে ও অনুষঙ্গে মিশে থাকা ইতিহাস, সমাজ আর বিজ্ঞানের রোমান্স। বিজ্ঞান আর শিল্পকলার বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে গড়ে ওঠা সংযোগ আর অপরূপ সহবস্থানের সংলাপ।

এই বইয়ের লেখাগুলি ধারাবাহিকভাবে একটি ওয়েব ম্যাগাজিনে (kolkata24x7.com) মোট উনিশটি পর্বে প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। বলা দরকার যে, ওই ওয়েব ম্যাগাজিনের তদানীন্তন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং তরুণ লেখক শ্রী সরোজ দরবারের আগ্রহ ও আন্তরিক তাগিদের জন্যেই ওই সময় প্রতি সপ্তাহে লেখাগুলি প্রকাশ সম্ভব হয়েছিল। বস্তুত এভাবেই সরোজের সঙ্গে আমার প্রথম ধারাবাহিক লেখার অভিজ্ঞতা।
আরও একটি কথা উল্লেখ করা জরুরি। তা হল, আমার সেইসব লেখা ফেসবুকের মননশীল সাহিত্য-অনুরাগী এবং কবি-সাহিত্যিক বন্ধুবান্ধবরা আগ্রহ নিয়ে পড়েছেন তখন। সে সময়ে তাঁদের পাঠপ্রতিক্রিয়া আমাকে প্রাণিত করেছে। তাঁদের উৎসাহব্যঞ্জক মন্তব্য পরবর্তী কিস্তি লেখার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করেছে আমাকে দারুণভাবে। তাঁদের সবার কাছে আমি ঋণী।

— সিদ্ধার্থ মজুমদার

]]>
http://sristisukh.com/ss_wp/product/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87/feed/ 1