অর্পণ পালের বিজ্ঞানচর্চার সেকাল একাল-এর ভূমিকাতে বইটা সম্পর্কে বিজ্ঞানী এবং লেখক কৌশিক মজুমদার এমনটাই বলেছেন।
]]>দিলীপ রায়চৌধুরী মাত্র ৩৮ বছর আমাদের মধ্যে ছিলেন। যদি এটা ৩৮ না হয়ে ৮৮ হত, তাহলে আমরা কি লাভবান হতাম? নিঃসন্দেহে হতাম, কারণ তাঁর মতো এমন স্বচ্ছ বিজ্ঞানচেতনার অধিকারী এক সুলেখক কলম চালিয়ে গেলে বাংলায় বিজ্ঞানবিষয়ক সাহিত্য (পপুলার সায়েন্স) এবং কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য দুই-ই যে সাবালকত্ব পেত, এবিষয়ে আমি নিশ্চিত। আবার মুজতবা আলির কথাটাও মনে পড়ে। তিনি বলেছিলেন, তাজমহল যদি আরো অনেক বড়ো হত, তাহলে তার সৌন্দর্যের বদলে বিশালত্ব দেখেই লোকে বাকরুদ্ধ হত। বাংলা কল্পবিজ্ঞানের মরুভূমিতে মেঘের স্বপন দেখে বাসা যাঁরা বেঁধেছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই বুড়ো হয়েছেন, অনেকে দড়কচা মেরেছেন (সত্যভাষণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী), বড়ো হয়েছেন খুব-খুব কম লেখক। কিন্তু দিলীপ রায়চৌধুরী, এই স্বল্প পরিমাণ রচনা দিয়েই, রয়ে গেছেন ও থাকবেন চিরতরুণ, হাস্যোজ্জ্বল, সপ্রাণ।
— ঋজু গাঙ্গুলি (Abasar.net)
]]>বেশ কয়েকজন মেধাবী বিজ্ঞানীর যাপিত জীবনের অন্দরমহলের নানান রোমাঞ্চকর কাহিনির মণিমুক্তোর খোঁজ এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। যেখানে মিশে আছে তাঁদের স্বপ্ন, কল্পনা, প্রেম, ভালোবাসা কখনও বা বিচ্ছেদ, বঞ্চনা কিংবা বেদনার কথা। তারই পাশাপাশি কখনও সেখানে তাঁদের সামাজিক দায়বদ্ধতা, কিংবা রাগ, অভিমান, দ্বন্দ্ব আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার নানান আবহ ফুটে উঠেছে। আছে অনেক মহত্তম আবিষ্কারের নেপথ্যকাহিনি। সৃষ্টিশীল জীবনের নানান চিত্তাকর্ষক কাহিনির সঙ্গে ও অনুষঙ্গে মিশে থাকা ইতিহাস, সমাজ আর বিজ্ঞানের রোমান্স। বিজ্ঞান আর শিল্পকলার বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে গড়ে ওঠা সংযোগ আর অপরূপ সহবস্থানের সংলাপ।
এই বইয়ের লেখাগুলি ধারাবাহিকভাবে একটি ওয়েব ম্যাগাজিনে (kolkata24x7.com) মোট উনিশটি পর্বে প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। বলা দরকার যে, ওই ওয়েব ম্যাগাজিনের তদানীন্তন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং তরুণ লেখক শ্রী সরোজ দরবারের আগ্রহ ও আন্তরিক তাগিদের জন্যেই ওই সময় প্রতি সপ্তাহে লেখাগুলি প্রকাশ সম্ভব হয়েছিল। বস্তুত এভাবেই সরোজের সঙ্গে আমার প্রথম ধারাবাহিক লেখার অভিজ্ঞতা।
আরও একটি কথা উল্লেখ করা জরুরি। তা হল, আমার সেইসব লেখা ফেসবুকের মননশীল সাহিত্য-অনুরাগী এবং কবি-সাহিত্যিক বন্ধুবান্ধবরা আগ্রহ নিয়ে পড়েছেন তখন। সে সময়ে তাঁদের পাঠপ্রতিক্রিয়া আমাকে প্রাণিত করেছে। তাঁদের উৎসাহব্যঞ্জক মন্তব্য পরবর্তী কিস্তি লেখার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করেছে আমাকে দারুণভাবে। তাঁদের সবার কাছে আমি ঋণী।
— সিদ্ধার্থ মজুমদার
]]>