About Sristisukh Library

Sristisukh Library is a promotional site for the books published by Sristisukh Prokashan, Sristisukh Print, Ha Ja Ba Ra La and Flying Turtle. Readers can read the selected portion of the books in this site for free.

নাড়ু

বিনোদ ঘোষাল

 

আজ থেকে ঠিক পঁয়ত্রিশ বছর আগে শরৎকালের দুপুর। হাওয়াতে গতকাল মা দুর্গা চলে যাওয়ার বিষণ্ণতার গন্ধ। পাড়ার বারোয়ারি পুজোর ঢাক, মাইকে কিশোরকুমারের গান, ধূপ-ধুনোর মন ভরিয়ে দেওয়া ঘ্রাণ, ক্যাপ ফাটানোর ফটাস আচমকাই উধাও। কী যেন একটা বুকের থেকে উপড়ে নিয়ে সব শূন্য করে দিয়ে চলে গিয়েছে। মফস্‌সল পাড়াটির প্রতিটি ঘর যেন খাঁ খাঁ করছে এক নিঃসঙ্গ রিক্ততায়। সবই রয়েছে আগের মতো অথচ কী যেন নেই! এমনই এক সোনালি দুপুরে একটি বাড়িতে একাত্তর বছরের সাদা থান বিজনবালা আর তার একত্রিশ বছরের বউমা তুমুল ব্যস্ত। সকালে ঘরের বাঙ্ক থেকে নামানো হয়েছে মুগুরের মতো দেখতে নারকেল কুরনি। এমনিতে তার চেহারা গতরওলা বঁটির মতোই, শুধু মুখের কাছটা অন্যরকম। পুজোর আগেই শিউলি এসে বাড়ির চারটে নারকেল গাছ থেকেই ঝুনো নারকেল নামিয়ে দিয়ে গিয়েছে। খান দশেক নারকেল ছুলে গিয়েছে সে। তারপর দুপুর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ধুন্ধুমার কাণ্ড। নারকেল কোরানো, আখের গুড় জ্বাল দেওয়া চলছে। কোরানো নারকেলের স্তূপ কমে উঠেছে পেল্লায় বারকোশে। রান্নাঘরের দরজার সামনে সেই দুপুর থেকেই ঘুর ঘুর করছে এক অষ্টম বর্ষীয় বালক। হাফপ্যান্ট। হাতে ক্যাপভরা পিস্তল। গত পাঁচ-ছয় দিনের অক্লান্ত অভ্যাসের ফল। ওই যে ঠাকুমা এবার মস্ত শিলনোড়া নিয়ে কোরানো নারকেল বাটতে শুরু করেছে। সঙ্গে চিনি। মা উনুনে লোহার কড়াই চাপালো। গুড় জ্বাল দেওয়া শুরু হল। নাক তুলে শ্বাস নিল ছেলেটি। আর কিছুক্ষণ পরেই ওই বাটা নারকেল চাপলো কড়াইতে। গুড়ের সঙ্গে মিশতে শুরু করল। আহ কী খুশবু! মা খুন্তি দিয়ে নাড়ছে, আর সেই অলৌকিক গন্ধে ছেলেটির পাগল পাগল অবস্থা। মা ধমক দিচ্ছে বারবার। রান্নাঘরের সামনে এত ঘুরঘুর কীসের? যা অন্য ঘরে।
“একটু দেবে মা? ছেলেটি নাছোড়।”
“একদম না, ঠাকুরকে না দিয়ে আগে খেতে আছে!” আবার মায়ের ধমক।
কেন খেতে নেই সেই প্রশ্ন মনে রেখে আবার লাল বারান্দায় ঘুরঘুর, রান্নাঘরে উঁকি।
একটু পরে বেশ কিছুটা পাক হয়ে যাওয়ার পরে ঠাকুমা বলল, “বউমা তুমি সরো, এবার আমি নাড়ি। তুমি বারকোশে একটু তেল মাখাও।” ছেলেটি এবার আরও উত্তেজিত। তার পুরনো অভিজ্ঞতা মনের কোণে কিলবিল করে উঠল। ঠাকুমা খুন্তি দিয়ে নাড়তে গিয়ে কিছুটা পড়ে গেল মেঝেতে। “এই যাহ পড়ে গেল। এই নে।” আদরের নাতি ওই গরম, মাখা নাড়ু হাতে নিয়েই দৌড়। ছেলেটির মা মুচকি হাসছে। সে জানে শাশুড়ির হাত থেকে ওইটুকু অন্যমনস্কতায় পড়েনি, ইচ্ছে করেই পড়েছে। কুলদেবতার আগেই নীতিভোগ হয়ে গেল। ছেলেটি উঠোনে নেমে কদমগাছের নিচে দাঁড়িয়ে ওই গরম গরম মাখা নাড়ু হাপুস হুপুস খেতে থাকল। আহ যেমন গন্ধ তেমন স্বাদ! হাতে, মুখে আর সবশেষে হাফপ্যান্টে আঙুল মোছার চটচটে দাগ, এইভাবেই গড়িয়ে গেল কিছু বছর।

তারপর? তারপর যা হয়, ছেলেটির বয়স গড়াতে গড়াতে বারো। তখনও সে এমন একটি দিনে ব্যস্ত। না না, তখন সে একটি দায়িত্ব পেয়েছে। মস্ত দায়িত্ব। ঠাকুমা আর নেই। তার বদলে সেই কড়াইতে সেই খুন্তি দিয়ে এখন মা নাড়ু বানাচ্ছে। উঁহু মায়ের খুন্তি একটুও অন্যমনস্ক নয়। এক ফোঁটাও কড়াইয়ের বাইরে পড়ার জো নেই। কড়াই থেকে নামলো ধোঁয়া ওঠা নারকেল আর গুড়ের পাক। এবার ছেলেটি আর তার দিদি মিলে শুরু করলো নাড়ু পাকানো। সে ভারী মজার কাজ। একটু করে খুঁটে তুলে নাও ওই গরম পাক, তারপর দুই হাতের তালুতে ঘুরিয়ে গোলা পাকিয়ে বারকোশের একদিকে পরপর সাজাতে থাকা। কখনও গোল ছোট বড় হয়ে যায়, কিন্তু মজার পরিমাণ একই। অযথাই দিদির হাত থেকে গড়িয়ে যায় একটি পাকাতে থাকা নাড়ু। মায়ের কাছে তার জন্য বকা খায় ঠিকই কিন্তু সেই মেঝেতে গড়িয়ে যাওয়ার জন্য ঠাকুরের নৈবেদ্যে দেওয়া চলবে না, সুতরাং সেটা ভাইয়ের ভোগ্য। ছেলেটি ফিক করে হেসে ফেলে। দিদি চোখ পাকায়। মা যেন বুঝতে না পারে। মাও মনে মনে হাসে। যেমন দিদি তার তেমন ভাই।

ছেলেটি তারপর উনিশ। অনেক বন্ধু। বেশ লায়েক। সবে কলেজে পা। রঙিন প্রজাপতির ডানা। বাতাসও যথেষ্ট। মায়ের বয়স বেড়েছে সামান্য। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে বছর কয়েক আগে। নাসিকে থাকে। তবে পুজোর সময় চলে আসে। লক্ষ্মীপুজোর পরে ফেরে। দশমীর পরের দিন ঢাক বাজিয়ে পাড়ার বারোয়ারি পুজোর ঢাকি আসে। নারকেল নাড়ু, তিলতক্তি, জিভেগজা, নিমকি ভরা থালা ঢেলে দেওয়া হয় ঢাকির ঝোলাতে। সঙ্গে পুরনো শাড়ি, ধুতি, বাচ্চার জামা-প্যান্ট আর কিছু টাকা। একাদশীর দিন পুরো সকালবেলাটায় পাড়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাক আর কাঁসির শব্দ আসে। বিকেলে পুরো থমথমে। জমজমাট প্যান্ডেলগুলো নিঃস্ব। রাস্তায় লাইটগুলো খুলে নেওয়ার পর অন্ধকার যেন আরও প্রকট। এই চাপ চাপ কষ্ট বুকে নিয়েই পরের দিন সকালে বন্ধুরা মিলে বেরোয় ছেলেটি। তারপর দিন দুয়েক চলে বিজয়া পর্ব। কোন বন্ধুর মায়ের বানানো নাড়ু সব থেকে বড় সাইজের, কাদের বাড়ির নারকেল নাড়ু সাদা রঙ-এর, কোনটায় এলাচ দেওয়া, কোনটায় কর্পূর, কোন বন্ধুর বাড়ির নাড়ু মুখে দিলেই গলে যায়। তাই নিয়ে গল্পে গল্পে মাত হয়ে যায় বেশ কয়েকটা দিন। ছেলেটির বাড়িতেও একদিন সন্ধেয় বন্ধুরা আসে বিজয়া করতে। তুমুল হুল্লোড়। সবার হাতে ঘুগনির বাটি, বাড়িতে ভাজা নিমকি, চিড়ে, মুড়ির ইয়াব্বড় মোয়া, দুইরকমের নাড়ু। এক বন্ধু কায়দা দেখানোর জন্য একটি নাড়ু শূন্যে ছুঁড়ে দিয়ে হাঁ করে। নাড়ুটা মুখে না পড়ে গালে ঠোকা খেয়ে খাটের তলায় গড়িয়ে যায়। বাসনকোসনে ঠাসা খাটের তলা থেকে আর সেই নাড়ু উদ্ধার হয় না। সে লুকিয়ে বসে থাকে সেখানে অনন্তকাল। অপেক্ষা করতে থাকে কোনও একটি দিনের জন্য।

কলেজ পাশের পর আচমকাই যেন স্পিড বেড়ে যায় জীবনের। দৌড়তে থাকে সে, তার চারপাশের সবকিছু। এতদিনের পরিচিত কক্ষপথ যেন অপরিচিত হয়ে ওঠে। ছিটকে যায় বন্ধুরা। ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে যার নিজস্ব জীবনে। জীবিকা, বিয়ে, সন্তান, পরিবার, হাজারও ব্যস্ততা… জীবন বদলাতে থাকে। মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া, মাল্টিপ্লেক্স, হোয়াটসঅ্যাপ, কিন্ডল আরও অনেককিছু ঘিরে ধরে তাকে। মফস্‌সলের বাড়িতে তার ঈষৎ কুঁজো হয়ে যাওয়া মা, একটা অ্যাটাক হয়ে যাওয়ার পর দিনের বেশিরভাগ সময়ে বিছানায় শুয়ে কাটানো বাবা থাকে। ছেলেটির নতুন ফ্ল্যাট রাজারহাটে। আইটি সেক্টরে কাজ, বেজায় চাপ। পুজোতে ছুটি ম্যানেজ করতে হয় অনেক কসরত করে। বাবার গোঁ মফস্‌সলের ভিটে ছেড়ে কোথাও যাবেন না। অগত্যা তাদের রেখে দিয়েই… একসময় সেটাই অভ্যাস হয়ে যায়। বহুতলের অভ্যাস উঠোন ছুঁয়ে থাকার আনন্দকে নষ্ট করে দেয় একদিন অজান্তেই। পুজোর পরে একদিন ছেলেটি সপরিবার যায় এক শপিংমলে। গ্রসারি কর্নারে চোখে পড়ে বেশ কিছু সুদৃশ্য প্যাকেট। তার কোনোটায় তিলের নাড়ু, কোনোটায় নারকেলের, কোনোটায় নিমকি। প্যাকেটের গায়ে হাত বুলোয় ছেলেটি। তিনটি প্যাকেটই ট্রে-তে তোলে।
“কী জন্য নিচ্ছ? আজকাল কে আসে?”
স্ত্রীর প্রশ্নে চমকে ওঠে ছেলেটি, কিছু উত্তর দিতে গিয়েও থমকে যায়। তাই… তাই তো… কে আসে? কে যায়? বিজয়া দশমীর নাড়ু-নিমকি হোয়াটসঅ্যাপে বন্দি হয়ে ঘোরাফেরা করে কয়েকদিন। তারপর থেমে যায়। তবু অনেকদিন পর তার হঠাৎ মনে পড়ে, অনেক কিছু মনে পড়ে। প্যাকেটগুলোর দিকে তাকিয়ে বলে, আমরাই খাব। তিনজনে। সাদা চিনামাটির প্লেটে।
ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে বাড়ি ফিরেই সে নিমকি, নাড়ু সাজিয়ে বসে। আজ নো ড্রিঙ্কস। নাড়ু মুখে দেয়, কিছু মনে করার চেষ্টা করে আপ্রাণ। কী যেন নেই… কী যেন নেই এই রেডিমেডে। কে বানিয়েছে আর কার জন্য বানিয়েছে কেউ কাউকে চেনে না। শুধু প্যাকেটের গায়ে এমআরপি জ্বলজ্বল করতে থাকে।

মফস্‌সলের বাড়িতে এখনও লক্ষ্মীপুজো করে মা। এবার রবিবারে লক্ষ্মীপুজো পড়েছে। শনি-রবি দু-দিন ছুটি। গাড়ি চালিয়ে সপরিবার রাজারহাট থেকে ঘণ্টা দুয়েকের পথ সেই মফস্‌সলের পুরনো বাড়িতে দুটো দিন। অনেককাল পর এবার লক্ষ্মীপুজো অ্যাটেন্ড করার সুযোগ। শনিবার দুপুরের পর থেকেই তোড়জোড়। ঠাকুর কেনা, ফর্দ মিলিয়ে দশকর্ম, ফুল-ফল-মালা-মিষ্টি বেশ কেটে যায় শনির সন্ধে। পরদিন সকালবেলায় মা বলল, বাবু একটু খাটের তলা থেকে পুজোর বাসনগুলো বার করে দিবি? নিচু হতে পারি না।
ছেলেটি মায়ের কথায় হামাগুড়ি দিয়ে খাটের তলায় ঢোকে। অতিকষ্টে কিছুটা ঢোকার পরই কীসব যেন হয়ে যায়! খাটের তলাটা হয়ে যায় ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর আগের কোনও একদিন। টিংটিঙে ছেলেটার গায়ে ময়লা স্যান্ডো গেঞ্জি, হাফ প্যান্ট, খাটের তলায় সে ঢুকেছে তার গড়িয়ে যাওয়া লাট্টু খুঁজতে। কোন বাক্স, কোন বাসনের আড়ালে যে লুকলো! সেই ঝুলকালি, পুরনো ধুলো মাখা আবছা অন্ধকারে ছেলেটি হাতড়াতে থাকে, পুজোর বাসন না লাট্টু, কী খুজছে তার খেয়াল থাকে না, হঠাৎই হাতে ঠেকে কী যেন একটা! মার্বেল? সেটাকে টেনে নিয়ে আসে বাইরে। রোদ্দুরের আলোতে দেখে ধুলোমাখা কবেকার পুরনো সেই নাড়ু যা একদিন তার কিশোরবেলার বন্ধুর মুখ ফসকে গড়িয়ে গিয়েছিল খাটের তলায়। তা এখনও বেঁচে রয়েছে? কী করে?

নাড়ু। শব্দটা শুনলেই কেমন বুকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আটপৌরে বাঙালিয়ানা। তেলে-জলে বাঙালির সুখের শব্দগুলির মধ্যে অন্যতম নাড়ু। বোরোলিনের মতই বঙ্গজীবনের অঙ্গ। ছোট থেকে কতজনের যে নাম নাড়ুগোপাল শুনেছি। আজকাল অবশ্য এসব নাম সেকেলে। নাম শুনে ডিকশনারি হাতড়াতে হয়, তাতেও অনেকসময় ঠাঁই মেলে না। অনেক কিছু বদলে যেতে দেখলাম এই চল্লিশ বছরের জীবনে। ওই ছেলেটির জীবন আসলে গড়পড়তা মধ্যবিত্ত বাঙালির জীবনে নাড়ু কীভাবে জড়িয়ে থাকে তারই কথকতা। দুর্গাপুজো থেকে কালীপুজো পর্যন্ত যার জয়যাত্রা। পুজোর ঘট স্থাপনের মতই অপরিহার্য। দুর্গাপুজোর পর কেউ বাড়িতে এলে কাঁচের ডিসে দু-তিন প্রকার নাড়ু সাজিয়ে অতিথিকে না দিতে পারলে সেই বাড়ি গৃহস্থ হিসেবে গণ্য হত না। দোকান থেকে কিনে আনা ফাস্টফুড সাজিয়ে দেওয়ার বদলে বাড়িতে তৈরি নিমকি, নাড়ুতেই বাঙালি মনের আস্থা ছিল ঢের বেশি। খাবার জিনিস খেয়ে দেখার থেকে ফেসবুকে তার ফটো আপলোড করার করুণ তাগিদ ছিল না, ছিল না ‘ফিলিং হ্যাপি উইথ নারিয়েলকা লাড্ডু’ লেখা স্ট্যাটাস। তখন ছবি সমেত না জানালেও মানুষ বুঝে যেত অন্যের খুশি। আমাদের খুশি, আনন্দ, সুখগুলো কবে যেন সব প্যাকেটজাত হয়ে খোলা বাজারে নেমে গেল আমরা টেরই পেলাম না। বুকে হাত রেখে বলুন তো, দোকান থেকে কেনা নারকেল কিংবা তিলের নাড়ুতে সেই পার্সোনাল টাচটা পান? না, পাওয়া সম্ভব নয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আদৌ কি আমরা পার্সোনাল টাচ চাই? নাকি সবটাই কর্পোরেট?
আজ যে চল্লিশের কোঠায় পা দেওয়া ছেলেটি তার কিশোরবেলায় হারিয়ে ফেলা নাড়ু খুঁজে পেয়ে নস্টালজিক হয়ে পড়ছে, একদিন সে হয়তো সত্তরে পা দিয়ে তার দাদুভাইকে নিয়ে যাবে কোনও এক মিউজিয়ামে। তারপর কাঁচের বয়ামে কেমিক্যালে ডোবানো কয়েকটি কালশিটে পরা ছোট গোলক দেখিয়ে সে বলবে, ওই দেখো দাদুভাই, ওর মধ্যে রয়েছে এক আশ্চর্য মেঠাই, আজ থেকে অনেক অনেক বছর আগের কথা, তখন….
দাদুভাই অবাক হয়ে শুনবে সেই অবিশ্বাস্য রূপকথা।

 


 

Galpo Na
A Collection of Proses by Binod Ghoshal
ISBN 978-93-86937-90-2

Online available at http://sristisukh.com/ss_wp/product/গল্প-না/

প্রথম সংস্করণঃ জানুয়ারি, ২০১৯
সৃষ্টিসুখ প্রকাশন এলএলপি-র পক্ষে হাল্যান, বাগনান, হাওড়া ৭১১৩১২
থেকে রোহণ কুদ্দুস কর্তৃক প্রকাশিত
প্রচ্ছদ – দেবযানী রায় ঘোষাল

© বিনোদ ঘোষাল, ২০১৯
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

মূল্যঃ ১৮০ টাকা (ভারতীয় মুদ্রা) / ১৩.৯৯ আমেরিকান ডলার
ই-বুক সংস্করণ সৃষ্টিসুখ প্রকাশনের অ্যানড্রয়েড অ্যাপে (Sristisukh E-book) পড়া যাবে।

সৃষ্টিসুখ-এর বইয়ের আউটলেটঃ ৩০এ সীতারাম ঘোষ স্ট্রিট, কলকাতা ৭০০০০৯ (৯০৫১২ ০০৪৩৭)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *