[বিভাগ – প্রেম ও রোমান্স]
নন্দিতা দেব সিংহ — ডাইন
মহুয়া দাশগুপ্ত — বোধি
সুব্রত রুজ — শাট ডাউন
[বিভাগ – রম্য সাহিত্য]
শুভময় মিশ্র — অন্য পুরাণ
সায়ন্তন মাইতি — বিনা টিকিটের যাত্রী
মুরাদুল ইসলাম — ঈশ্বরের ময়নাতদন্ত
[বিভাগ – কিশোর সাহিত্য]
দীপঙ্কর চৌধুরী — চন্দনমঠ
শাশ্বত কুমার ধর — ফিরে এল ফেলুদা
ইন্দ্রাণী মুদি — চান্দা
[বিভাগ – রহস্য-রোমাঞ্চ-অ্যাডভেঞ্চার]
রঙ্গন রায় — ডেথ জোন
ভাস্বতী বন্দ্যোপাধ্যায় — ঘূর্ণি
দেবাঞ্জন দেব — মেঘ মাচাং
[বিভাগ – কল্পবিজ্ঞান ও ফ্যান্টাসি]
অনিরুদ্ধ সেন — ইলোপ
অঙ্কিতা — সৃষ্টিসুখ
সৌম্যদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় — চ্যাম্পিয়ন অন্তর্ধান রহস্য
[বিশেষ স্বীকৃতি]
রনিন — এক সমুদ্র (প্রেম ও রোমান্স)
অমিতাভ হালদার — নদীর বান (প্রেম ও রোমান্স)
অনিন্দ্যকেতন গোস্বামী — ক্ল্যান (কিশোর সাহিত্য)
বৈদূর্য সরকার — সোনা রঙের মানুষ (রহস্য-রোমাঞ্চ-অ্যাডভেঞ্চার)
অনির্বাণ ভট্টাচার্য — আমি কাউকে চিনি না (কল্পবিজ্ঞান ও ফ্যান্টাসি)
প্রবীরেন্দ্রর গল্পের বিষয় ডিসটোপিয়ান পৃথিবীতে কয়েকজন কিশোরের অ্যাডভেঞ্চার, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের তিব্বত যাত্রা, মানুষের নিয়তি-নিয়ন্ত্রক কম্পিউটার থেকে শুরু করে আটলান্টিকের গভীরে সাবমেরিনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্পাই-কাউন্টার স্পাইয়ের মারণখেলা পর্যন্ত অনায়াসে যাতায়াত করে।
এই মুহূর্তে যে কয়েকজন লেখক বাংলা কিশোরসাহিত্যে নতুন করে প্রাণবিন্দু সঞ্চারের চেষ্টায় আছেন, প্রবীরেন্দ্র তাঁদের মধ্যে অন্যতম।
]]>দিলীপ রায়চৌধুরী মাত্র ৩৮ বছর আমাদের মধ্যে ছিলেন। যদি এটা ৩৮ না হয়ে ৮৮ হত, তাহলে আমরা কি লাভবান হতাম? নিঃসন্দেহে হতাম, কারণ তাঁর মতো এমন স্বচ্ছ বিজ্ঞানচেতনার অধিকারী এক সুলেখক কলম চালিয়ে গেলে বাংলায় বিজ্ঞানবিষয়ক সাহিত্য (পপুলার সায়েন্স) এবং কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য দুই-ই যে সাবালকত্ব পেত, এবিষয়ে আমি নিশ্চিত। আবার মুজতবা আলির কথাটাও মনে পড়ে। তিনি বলেছিলেন, তাজমহল যদি আরো অনেক বড়ো হত, তাহলে তার সৌন্দর্যের বদলে বিশালত্ব দেখেই লোকে বাকরুদ্ধ হত। বাংলা কল্পবিজ্ঞানের মরুভূমিতে মেঘের স্বপন দেখে বাসা যাঁরা বেঁধেছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই বুড়ো হয়েছেন, অনেকে দড়কচা মেরেছেন (সত্যভাষণের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী), বড়ো হয়েছেন খুব-খুব কম লেখক। কিন্তু দিলীপ রায়চৌধুরী, এই স্বল্প পরিমাণ রচনা দিয়েই, রয়ে গেছেন ও থাকবেন চিরতরুণ, হাস্যোজ্জ্বল, সপ্রাণ।
— ঋজু গাঙ্গুলি (Abasar.net)
]]>