অন্নপূর্ণার আঙিনায়

249.00

সৃষ্টিসুখ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত অয়নজিৎ মাহাতা-র অন্নপূর্ণার আঙিনায়

 

হিমালয় এবার ধরা দেবেন বিদেশে! পাসপোর্টের প্রয়োজন না হলেও এই প্রতিবেশী আমাদের কাছে বিদেশই। সেই নেপালের রূপকথার পথে হাঁটব আমরা, মানে মিত্র ট্রেকার্স।

ফেলুদার দৌলতে কাঠমান্ডু, স্বয়ম্ভুনাথ, পশুপতিনাথ, ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট, দরবার স্কোয়ার, এইসব রোমাঞ্চকর শব্দ শুনে বড়ো হওয়া বাঙালিদের কাছে নেপাল স্বর্গই, অন্তত আমাদের মতো পাহাড়ে-হাঁটা-পাগলদের কাছে তো বটেই। কিশোর বয়স থেকেই তিন দীঘল চোখের দেবতার দেশের প্রতি আকর্ষণের ব্যাপ্তি লিখে বোঝাবার নয়। ফলে যখন অন্নপূর্ণার দরবারে যাওয়ার প্রস্তাব উঠল, দ্বিতীয় বিকল্প আমরা আর রাখিনি।

দুরারোহ অন্নপূর্ণার কাছে পৌঁছোনোর দুর্গম পথ খুবই প্রাচীন। তবে বিদেশিদের দৌলতে থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা চোখে পড়বেই। দুর্গমতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, শরীরের সহনীয়তাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েই আমরা নাগাল পেয়েছিলাম বিপজ্জনক অন্নপূর্ণার পাদদেশের।

হাঁটাপথের ছোটো-বড়ো রঙিন স্মৃতির টুকরো জুড়েই এই ট্রেকের কথা। মিত্র ট্রেকার্স ওই ক-টা দিন হিমালয়ের রূপকথার সংসারে যেসব মণিমুক্তোর সংস্পর্শে এসেছিল, সেইসব অনির্ণেয় মেঘ-পাহাড়ি রত্নের বর্ণনা যত্ন করে সাজিয়ে রাখার চেষ্টা করলাম পাতায় পাতায়। হিমালয়ের প্রকৃতির কাছে যে দরাজ অভ্যর্থনা পেয়েছিলাম আমরা, তার শরিক হয়ে থাকবেন আপনারাও। ভবিষ্যতের কাছে হিমালয়ের রূপ-রস তুলে ধরার এ এক ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র।

বলতেই হবে যে, ট্রেকের কুশীলবদের দুরন্ত সব চরিত্রের সান্নিধ্য না পেলে এ লেখার কথা ভাবাই যেত না। তার সঙ্গে রয়েছে তাদের ধারাবাহিক উৎসাহ। তাই জয়তু মিত্র ট্রেকার্স।

এইসঙ্গে মায়ের সাহায্য তো রয়েছেই। পুরো লেখা পুঙ্খানুপুঙ্খ পড়ে, যেখানে প্রয়োজন পরামর্শ দিয়ে লেখার বৃত্তের পরিধি যথার্থভাবেই বাড়িয়ে দিয়েছে মা।

কৃতজ্ঞতা জানাই টিম সৃষ্টিসুখকে, আমার দ্বিতীয় ভ্রমণ পাণ্ডুলিপিকে ছাপাখানায় সফর করানোর জন্য। তাদের এই ভরসা আমার কাছে আগামীর পাথেয়।

—অয়নজিৎ মাহাতা

Category:

Customer Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অন্নপূর্ণার আঙিনায়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *