উত্তরে আছে মৌন

299.00

সৃষ্টিসুখ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত সৈকত ভট্টাচার্য-এর উত্তরে আছে মৌন

না-জানি সেই কোন প্রাগৈতিহাসিককাল থেকে ভারতবর্ষের উত্তরে সীমানা রচে দিয়েছে হিমালয় পর্বত। তার ওপারে শুষ্ক তুষারমরুর দেশ তিব্বত। দুর্লঙ্ঘ হিমালয়ের জন্যই বুঝি এদেশের সম্রাটরা দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দিকে রাজত্ব বিস্তার করলেও কখনও সেভাবে উত্তরের দিকে মন দেননি। ফলে তিব্বত হাজারো কিংবদন্তি আর লোককথাকে সঙ্গী করে রয়ে গেছে রহস্য-বেষ্টনে। সেখানকার প্রাচীন বোন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন পশুপালক গোষ্ঠীর মধ্যে ইয়ারলুং গোষ্ঠী একদিন শক্তি সঞ্চয় করে গোটা তিব্বতের অধীশ্বর হয়ে বসল। সম্রাট স্রোংচেন গামপো থেকে ঠিস্রোং দেচেন—একের পর এক প্রতাপশালী সম্রাটের হাতে তিব্বত এক শক্তিশালী সাম্রাজ্য হয়ে উঠল। শুধু তো বিজয়রথ ছোটানো নয়, সম্রাটরা কথ্য তিব্বতি ভাষার লিপি নির্মাণ থেকে শুরু করে ভারতবর্ষ থেকে বৌদ্ধ পণ্ডিতদের আমন্ত্রণ করে নিয়ে যাওয়ার মধ্যে দিয়ে কুসংস্কারের অন্ধকারে থাকা মানুষদের জ্ঞানের স্পর্শ দিয়েছিলেন। অতীশ দীপঙ্করের নাম তো আমরা সকলেই শুনেছি। কিন্তু তারও অনেক আগে তিব্বতে পা রেখেছিলেন আর এক বৌদ্ধ পণ্ডিত—আচার্য শান্তরক্ষিত। তাঁর হাত ধরেই তিব্বতের প্রথম বৌদ্ধ বিহার‘সাম-য়ে’-র প্রতিষ্ঠা হয়, তিব্বতের রাজধর্মরূপে প্রতিষ্ঠা পায় বৌদ্ধ ধর্ম। ইতিহাস আর কিংবদন্তির মিশেলে সে কাহিনি থ্রিলারকেও হার মানায়।

Customer Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “উত্তরে আছে মৌন”

Your email address will not be published. Required fields are marked *