বংশ

249.00

ইলাবৃতবর্ষ। এই ইলাবৃতবর্ষ কোথায়? আর কোথায় সেই বংশ? বংশ পরিচয়। ‘বংশ’, তপতী বাগচীর দশটি গল্প নিয়ে পৌরাণিক, কাল্পনিক, মহাকাব্যিক এক যাত্রার প্রেক্ষাপট রচিত হয়েছে সমগ্র গ্রন্থ জুড়ে। পাণ্ডবদের জন্ম এক-একটা আধারস্বরূপ। মূলত নারী চরিত্রদের তুলে এনেছেন তপতী তাঁর মহামূল্যবান বিশ্লেষণ ও কল্পমায়ার লিখনশৈলীতে। মহাকাব্যের চলনের ঘেরাটোপে আটকে না থেকে প্রকাশশৈলীতে এনেছেন স্বাভাবিকতা। সাক্ষীপুতুল হোক কিংবা অগ্নিহোত্রী, নারীচরিত্রের এমন উন্মুক্ত ভাবাবেগে আচ্ছন্ন থাকবেন সকল পাঠক। মেয়েরা, তা সে হোন রাজমাতা কুন্তী, রাজবধূ দ্রৌপদী বা হিড়িম্বা, আসলে তো তাঁরা দিনশেষে সেই মেয়েরাই। এই উত্থানপতন, বাঁক বদল তাই স্বরূপ উন্মোচন। এখানেই তপতী মহাকাব্যকে করে তোলেন গল্পের মধ্যে দিয়ে আধুনিক। বিশ্বের কাছে মিথকথনের বাইরে বেরিয়ে সময়োপযোগী। সুচারু তাঁর ভঙ্গিমা। তীব্র সব আত্মজিজ্ঞাসা, আত্মখনন, আত্মমর্যাদা।  এই মর্যাদার প্রশ্ন এলেই চলে আসে বংশ। বংশ হতে মহাপ্রস্থানের পথে বেরিয়ে যাওয়া এই অবশ্যম্ভাবী মায়াপথের বর্ণনা আসলে  উত্তরণের নামান্তর। এই উত্তরণ কোন উদ্দেশ্যে? তপতীর কলমে সর্বান্তকরণে সেই ‘উদ্দেশ্য’ পরিস্ফুটিত। তিনি যখন শকুন্তলাকে নিয়ে লিখছেন তখন অভিজ্ঞান পাচ্ছে নতুন আঙ্গিক। আবার তিনিই সুভদ্রা ও দ্রোপদীর কথোপকথনে চিরভাস্বর নারীমনের দ্বন্দ্বের ছবি আঁকেন, মুনশিয়ানার সঙ্গে তুলে ধরেন দ্বন্দ্বের তেলছবি।

Customer Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বংশ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *